ফিটনেস পরীক্ষা দিতে হবে সাকিব আল হাসানকেও

করোনা সংকট কাটিয়ে সফলভাবে শেষ হওয়া বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের পর এবার ৫ দলের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

আগামী ১৫ নভেম্বর সম্ভাব্য তারিখ ধরেই এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করছে বোর্ড। তবে এই টুর্নামেন্টে খেলতে হলে ক্রিকেটারদের ফিটনেস টেস্টে উত্তীর্ণ হতে হবে বলে আগেই জানিয়েছি বিসিবি।

জাতীয় দল, হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটাররা ক্যাম্প ও ফিটনেস ট্রেনিংয়ের প্রক্রিয়াতেই আছেন। এর বাইরে যেসব ক্রিকেটার টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের ড্রাফট তালিকায় থাকবেন, তাদের সবাইকে বাধ্যতামূলক ফিটনেস পরীক্ষা দিতে হবে।

এমনকি ফিটনেস পরীক্ষা দিতে হবে সম্প্রতি নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরা সাকিব আল হাসানকেও। আর এই বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিসিবির নির্বাচক হাবিবুল বাশার। এই ফিটনেস টেস্ট সবার জন্যই প্রযোজ্য বলেও জানিয়েছেন তিনি।

হাবিবুল বলেন, বিপ টেস্ট সাকিবের জন্য ম্যান্ডেটরি। শুধু সাকিবই নয়, জাতীয় দলের বাইরে যারা দীর্ঘদিন ছিলেন বা প্রেসিডেন্ট কাপে ছিলেন না তাদের জন্য এটা নিয়মের অংশ। অবশ্যই ফিটনেস টেস্ট তাদের দিতে হবে। এটা সবার জন্যই প্রযোজ্য।

করোনার এই প্রাদুর্ভাবের মাঝে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) আয়োজন করতে পারছে না বিসিবি। যে কারণে পাঁচ দলের টি-টোয়েন্টি টুর্ণামেন্টটিতে বেশ বড় অংকের বাজেট ধরা হয়েছে। প্রতি দলের সম্ভাব্য বাজেট ২ কোটি টাকা।

সেই হিসেবে প্রাইজমানি ছাড়া টুর্নামেন্টের বাজেট ১০ কোটি টাকা। চার ক্যাটাগরিতে থাকা ‘এ’ ক্যাটাগরির ক্রিকেটাররা পাবেন ১০ লাখ, ‘বি’ ক্যাটাগরি পাবেন ৮ লাখ, ‘সি’ ক্যাটাগরির জন্য রাখা হয়েছে ৬ লাখ এবং ‘ডি’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়রা পাবেন ৪ লক্ষ টাকা করে।

এদিকে আসন্ন এই টুর্নামেন্টে থাকবে না কোনও বিদেশি ক্রিকেটার। প্রেসিডেন্টস কাপের ফাইনালের দিনই বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান নিশ্চিত করেছিলেন।

তবে প্রতি দলের কোচিংয়ের দায়িত্বে থাকবেন স্থানীয় কোচরা। টি-টোয়েন্টি এই টুর্নামেন্ট শেষে জানুয়ারীর শেষ সপ্তাহে মাঠে গড়াতে পারে ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট।