ফের শো’কে’র ছায়া বাংলা চল’চ্চিত্রে, মা’রা’ গে’লেন বরে’ণ্য অ’ভি’নেতা

একু’শে পদ’কপ্রা’প্ত অ’ভি’নেতা, স্বাধী’ন বাংলা বেতা’র কে’ন্দ্রে’র শব্দ’সৈনিক, নাট্য ব্য’ক্তিত্ব আলী যা’কে’র মা’রা’ গেছে’ন।

শু’ক্র’বার ৬টা ৪০ মি’নিটে রা’জধা’নীর একটি বেস’রকা’রি হাস’পাতা’লে চি’কিৎসা’ধীন অব’স্থা’য় তার মৃ’ত্যু’ হয়।

স’ম্মি’লিত সাংস্কৃ’তি’ক জো’টের সভা’পতি গো’লা’ম কু’দ্দুছ এ তথ্য নি’শ্চিত করে জানান, বা’র্ধ’ক্য ও হা’র্টের স’মস্যা’সহ কিছু শা’রী’রিক জটি’লতা নিয়ে গত ১৭ নভেম্বর ঢা’কার শ্যা’ম’র একটি হা’সপা’তালে ভর্তি করা হ’য়েছিল আলী যা’কে’রকে।

ক’রো’না পজি’টি’ভ হওয়ায় সেখানে তা’কে ক’রো’না’রি কে’য়ার ‘ইউ’নিটে (সিসিইউ) চিকি’ৎসা দেয়া হ’য়েছি’ল বলেও জা’নান তিনি।

আলী যা’কের ক’য়েকব’ছর ধ’রে ক্যান’সা’রের সঙ্গেও ‘ল’ড়া’ই ক’রেছি’লেন। তাই সাংস্কৃ’তিক অ’ঙ্গন থে’কে নিজে’কে কি’ছুটা স’রি’য়ে নি’য়েছিলেন। আলী যা’কের মৃ’ত্যু’তে রা’ষ্ট্রপ’তি মো. আব’দুল হামিদ ও প্রধা’নম’ন্ত্রী শেখ হাসিনা মৃ’ত্যু’তে গ’ভী’র শো’ক ও দুঃ’খ প্র’কা’শ করেছেন।

রা’ষ্ট্র’পতি মো. আবদুল হা’মিদ এক শো’ক বা’র্তা’য় বলেন, বরে’ণ্য অ’ভিনে’তা আ’লী যা’কের ছিলে’ন দে’শের সাংস্কৃ’তি’ক অঙ্গ’নে এক উজ্জ্ব’ল ন’ক্ষ’ত্র। তার মৃ’ত্যু’তে দেশ এক’জন ব’রেণ্য অ’ভিনে’তা ও সাং’স্কৃতি’ক ব্য’ক্তি’ত্ব’কে হা’রা’ল। তার ‘মৃ’ত্যু’ দে’শের সাং’স্কৃ’তিক অ’ঙ্গ’নে এক অ’পূ’রণী’য় ক্ষ’তি’।

আলী যাকের
রাষ্ট্র’প’তি মর’হু’মে’র বি’দে’হী আ’ত্মা’র মাগ’ফি’রাত কামনা ক’রেন এবং শো’ক’সন্ত’প্ত প’রিবা’রের স’দস্য’দের প্রতি গ’ভী’র স’ম’বে’দনা জা’নান।

প্রধা’নমন্ত্রী শে’খ হাসিনা এক শো’ক বার্তা’য় ব’লেন, মহান মু’ক্তি’যু’দ্ধ, দেশের শি’ল্প’কলা ও সাং’স্কৃতিক’ অঙ্গ’নে আ’লী যা’কে’রের অব’দান স্ম’র’ণীয় হ’য়ে থা’কবে।

শেখ হা’সিনা ম’রহু’মের বিদেহী আ’ত্মা’র মা’গফি’রাত কা’মনা করে’ন এবং তা’র শো’ক’সন্ত’প্ত পরি’বা’রের সদ’স্য’দের প্র’তি গ’ভী’র সম’বে’দনা জানান।

১৯৭২ সালে’র আ’র’ক না’ট্যদ’লের ‘ক’বর’ না’ট’কে অভি’নয়ের’ মধ্য দিয়ে প’থচ’লা শু’রু ক’রেছি’লেন এই না’ট্যব্য’ক্তি’ত্ব। পর’বর্তী’তে ১৯৭৩ সাল থেকে’ কাজ করে’ছি’লেন নাগ’রিক নাট্য’সম্প্র’দায় নিয়ে। ম’ঞ্চের পা’শা’পাশি’ টিভি নাট’কেও স’মা’দৃত হয়ে’ছি’লেন তিনি।

আ’লী যা’কের নির্দে’শিত মঞ্চ’না’টকের মধ্যে রয়ে’ছে— ‘অচ’লা’য়তন’, ‘বা’কী ইতি’হাস’, ‘বিদগ্ধ র’মণী’কুল’, ‘সৎ মানুষের খোঁজে’, ‘কাঁঠাল’বা’গান’, ‘তৈল সং’কট’, ‘এই নি’ষি’দ্ধ পল্লীতে’, ‘নুরু’লদীনের সা’রাজী’বন’ও ‘কোপে’নি’কের ক্যাপ্টেন’।

আলী যাকের
তার অ’ভিনীত আ’লো’চিত না’ট’কের ম’ধ্যে রয়েছে ‘আজ র’বিবার’, ‘বহু’ব্রীহি’’, ‘ত’থা’’, ‘পাথ’র’ ও ‘দে’য়াল’।

পা’শা’পাশি দেশী’য় বি’জ্ঞাপ’ন’শি’ল্পের ‘এক’জন পু’রো’ধা ব্য’ক্তি’ত্ব আ’লী যা’কে’র। বাং’লাদে’শের বি’জ্ঞা’পনী সংস্থা এ’শি’য়া’টিক থ্রি’সি’ক্স’টি’র ক’র্ণধা’র তি’নি। তার স’হ’ধর্মি’ণী সারা যা’কে’রও এ’কজন অভি’নে’ত্রী।

তাদে’র ছে’লে ইরে’শ যা’কে’র অ’ভি’নেতা ও প্র’যো’জক হিসে’বে স’মাদৃ’ত। মে’য়ে শ্রি’য়া স’র্বজ’য়া একজ’ন আ’র’জে হিসেবে প’রি’চিতি পে’লেও তিনি অভি’নয়’ও করে’ছেন কিছু’ নাট’কে।

বাং’দেশ সরকা’র শিল্প’কলায় অ’ব’দানে’র জন্য ১৯৯৯ সালে আ’লী যা’কের’কে দে’শের দ্বি’তী’য় স’র্বো’চ্চ বেসা’মরিক’ সম্মা’ন একু’শে প’দকে ভূ’ষি’ত করে।

এছা’ড়া তিনি বাংলাদেশ শিল্প’ক’লা একা”ডেমি পু’রস্কা’র, ব’ঙ্গবন্ধু পুর’স্কার, মু’নীর চৌধু’রী প’দক, নরেন বি’শ্বাস পদক এবং মে’রিল-প্রথ’ম আ’লো আ’জীবন স’ম্মা’ননা পু’স্কা’র লা’ভ করেছেন।

আ’লী যাকে’র ১৯৪৪ সা’লের ৬ নভে’ম্বর চট্টগ্রা’মে জ’ন্মগ্র’হণ করেন। তার বাবা মুহা’ম্মদ তা’হের ছি’লেন উচ্চ’পদ’স্থ ‘স’রকা’রি কর্ম’ক’র্তা।