এটি থেকে হতে পারে অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার থেকে মৃত্যু পর্যন্ত, বলছে গবেষণা…

অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার – ক্যান্সার বা কর্কটরোগ হল অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজন রোগসমুহের সমষ্টি। এখনও পর্যন্ত এতে মৃত্যুর হার অনেক বেশি।

প্রাথমিক অবস্থায় এই রোগ পুরোপুরি ভাবে ধরা পড়ে না, আর শেষ পর্যায় গিয়ে ভালো করে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয় না। কারন এখনও এর সম্পূর্ণ ভাবে ওসুধ আবিষ্কার হয়নি। তবে একদম প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে সাড়ানোর সম্ভবনা অনেকটাই থাকে।

মোট ২০০ প্রকার ক্যান্সার রয়েছে যার চিকিৎসা পদ্ধতি আলাদা আলাদা। ক্যান্সার নিয়ে এখনও অনেক গবেষণা চলছে, আর অনেক নতুন নতুন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

সাধারনত কোষ গুলি যখন অনিয়ন্ত্রিত ভাবে বাড়তে থাকে তখন ত্বকের নিচে চাকা বা মাংসের দলা দেখা যায়, একেই টিউমার বলে। টিউমার দুধরনের হয়, ম্যালিগনেণ্ট আর বিনাইন। এই ম্যালিগনেন্ট টিউমারই ক্যান্সারের আকার ধারন করে।

ক্যান্সারের লক্ষন গুলো বুঝবেন কি করে ঃ- শরীরে বেশ কিছু পরিবর্তন আসবে, যেমন অস্বাভাবিক ভাবে ওজন কমে যাওয়া, খাওয়ার রুচিবোধ কমে যাওয়া, খুব ক্লান্ত বোধ করা, ত্বকের পরিবর্তন হওয়া, অস্বাভাবিক ভাবে রক্তপাত হওয়া।

ক্যান্সার কেন হয় ঃ- এটি নিয়ে বিস্তর গবেষণা হয়েছে আর চলছেও। গবেষণা বিভিন্ন তথ্য দিচ্ছে ক্যান্সারের কারন নিয়ে। যেমন বংশগত ক্যান্সার, গবেষকরা বলছে যদি বাড়ির কারোর কোলন ক্যান্সার বা ব্রেস্ট ক্যান্সার হয় তাহলে জিনগত কারনে সেই গুলো তাদের সন্তানদের হতে পারে।

সব ক্যান্সার গুলোর মধ্যে অন্যতম হল ফুসফুসের ক্যান্সার। অতিরিক্ত ধূমপানের কারনে ফুসফুসে ক্যান্সার হয়ে থাকে। তেমনই মদ্যপানের কারনে যকৃতে ক্যান্সার হয়। পান, জর্দা পাতা থেকে ওরাল ক্যান্সার বা জিহ্বার ক্যান্সার হয়ে থাকে। খাদ্যে ব্যবহৃত ফরমিলিন অ্যাসিড বা পচন রোধ পদার্থ থেকে পাকস্থলীতে ক্যান্সার হতে পারে।

এছাড়া গবেষকরা আরও একটি সম্ভবনার কথা জানিয়েছেন। তাদের মত অনুযায়ী শরীরের ওজন অতিরিক্ত হলে অগ্ন্যাশয়ে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভবনা প্রবল। তারা জানাচ্ছেন শরীরের অস্বাভাবিক ওজনের সাথে অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের লক্ষন পেয়েছেন এবং এক্ষেত্রে মৃত্যুর সম্ভবনা প্রচুর। মাত্র ৮.৫ শতাংশ মানুষ মাত্র ৫ বছর বাচে।

গবেষণা জানাচ্ছে ৫০ বছরের কম বয়সী লোকেদের ওজন যদি স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায় তাহলে সেক্ষেত্রে অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের সম্ভবনা দেখা যায়। ৯ লক্ষ ৬৩ হাজার জনকে পর্জবেক্ষন করে গবেষকরা ওজন ও অগ্ন্যাশয়ের যোগসূত্র খুজে পেয়েছেন।