ইমরান খানের নেতৃত্বে টেস্ট একাদশে উইকেটরক্ষক হলেন মুশফিক

উইজডেন’স টিনএজ রায়ট টেস্ট একাদশে অধিনায়ক করা হয়েছে ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তান দলের নেতৃত্ব দেয়া ইমরান খানকে।

আর উইকেটের পেছনে দাঁড়াবেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম।

এমনই এক ব্যতিক্রমী একাদশ তৈরি করেছে ক্রিকেটের বাইবেলখ্যাত উইজডেন। যেখানে ৯ জনই সাবেক তারকা। মূলত টিনেজার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে খ্যাতি লাভ করেছেন এমন ক্রিকেটারদের মধ্য থেকে সেরা একাদশ বেছে নিয়েছে উইজডেন।

আর এই একাদশে বর্তমানে খেলে যাওয়া তারকাদের মধ্য থেকে ঠাঁই পেয়েছেন মুশফিকুর রহিম ও অস্ট্রেলিয়ার পেসার প্যাট কামিন্স। শচীন টেন্ডুলকার, গ্যারি সোবার্স, ওয়াসিম আকরামের মতো কিংবদন্তিদের নাম রয়েছে একাদশে।

এমন সব কিংবদন্তির পাশে নিজের নাম দেখে যারপরনাই উচ্ছ্বসিত মুশফিক। ফেসবুকে সেই উচ্ছ্বাস প্রকাশে কার্পণ্য করেননি বাংলাদেশের মিস্টার ডিপেন্ডেবল।

নিজেকে ‘সম্মানিত’ বোধ করছেন জানিয়ে ফেসবুকে মুশফিক লিখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ। এত এত কিংবদন্তির সঙ্গে একটা দলে জায়গা পেয়ে আমি অভিভূত। উইজডেনের টিনেজার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শুরু করা ক্রিকেটারদের একাদশে জায়গা পেয়ে আমি সম্মানিত বোধ করছি।

গত ২০১৩ সালে শ্রীলংকার বিপক্ষে প্রথমবার টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেন মুশফিক। ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২১৯ রানে (ডাবল সেঞ্চুরি) অপরাজিত ছিলেন মুশফিক। এমন সব পারফরম্যান্স দিয়ে উইজডেনের এই ব্যতিক্রমী একাদশে জায়গা করে নিলেন মুশফিক।

একনজরে উইজডেন’স টিনএজ রায়ট টেস্ট একাদশঃ নেইল হার্ভে, শচীন টেন্ডুলকার, ডেনিস কম্পটন, মার্টিন ক্রো, গ্রায়েম পলক, গ্যারি সোবার্স, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), ইমরান খান (অধিনায়ক), অনিল কুম্বলে, ওয়াসিম আকরাম, প্যাট কামিন্স।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৮ বছর বয়সে টেস্টে অভিষেক হয় মুশফিকুর রহিমের। এর পর থেকে তার ব্যাট কথাই বলে চলছে। টেস্টে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রানের মালিক মুশফিকই। তা ছাড়া বিশ্বে টেস্টে মুশফিকই প্রথম উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান যিনি দুটি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন। এখন পর্যন্ত টেস্টে তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন মুশফিক।