শারীরিক সমস্যার সমাধান মিলবে স্কোয়াটে

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ওজন বেড়ে যায়, সেই সঙ্গে থাইও বেড়ে যায়। সুঠাম থাই সবাই চাই। কোমর, নিতম্ব, থাই- সব অংশের জন্যই স্কোয়াটের বিকল্প নেই।

কম বয়সীরা তো বটেই, চল্লিশোর্ধ্ব নারীর জন্যও স্কোয়াট অনেক উপকারী। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নারীদের থাই যেমন ভারী হয়, তেমনি পাতলা হয় পুরষদের। এসব সমস্যার সমাধান করবে স্কোয়াট।

বয়স ও শরীরের ধরন অনুযায়ী স্কোয়াটে ভিন্নতা আসে। কোনও স্কোয়াট ইনার থাইয়ের ওপর চাপ পড়ে, কোনোটা সাইড থাই, আবার কোনোটা পেছনের অংশে। শুরুতে ৮-১০টা করে তিন সেট করুন। প্রতি সপ্তাহে কয়েকটা করে বাড়ান।

এই এক্সারসাইজ়ে সবচেয়ে জরুরি হলো বডি পশ্চার। এটি ভুল হলে কাজ তো হবেই না, উল্টো অন্য সমস্যার সূত্রপাত হবে। বেসিক স্কোয়াটে দুটি পা অল্প ফাঁক করে সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে। হিপ হালকা পেছনে ঠেলে চেয়ারে বসার মতো করে বসুন।

দুটি জিনিস মাথায় রাখতে হবে। এক, শরীরের ওপরের অংশ সামনে ঝুঁকবে না, কাঁধ সোজা থাকবে। নয়তো কোমরে চাপ পড়বে। দুই, ওঠা-বসার সময় গোড়ালিতে জোর দিলে সুবিধা হবে।

দুই পায়ের পাতা ৪৫ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে রেখে বেসিক স্কোয়াট করুন।
দুটি পা একটু ছড়িয়ে, পায়ের পাতা ৪৫ ডিগ্রিতে রেখে সুমো স্কোয়াট করতে পারেন। এটি ইনার থাইয়ের জন্য খুব ভালো।
বেসিক স্কোয়াট পজিশনে বসার পর ওঠার সময় পা পাশের দিকে তুলুন। একবার ডান দিকে তুলে বসে নিন, একবার বাঁ পা তুলুন।
বেসিক স্কোয়াটের পজিশনেই পালস স্কোয়াট করা যায়। এ ক্ষেত্রে ওঠার সময় পুরোটা উঠবেন না। একটু উঠেই আবার বসুন।
জাম্প স্কোয়াটের ক্ষেত্রে বেসিক পজিশন থেকে উঠে দাঁড়ানোর সময়ে লাফাতে হবে। লাফিয়েই বসতে আর উঠতে হবে। তবে বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই স্কোয়াট না করাই ভালো।
এ জন্য শারীরিক প্রয়োজন অনুসারে স্কোয়াট করুন।