ম্যান ইউকে হারিয়ে ফাইনালে ম্যান সিটি

চলতি মৌসুমের শুরু থেকে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খুব একটা ফর্মে না থাকলেও, লিগ কাপে রীতিমতো উড়ছে শক্তিশালী দল ম্যানচেস্টার সিটি, উঠে গেছে ফাইনালে। নগর প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে সেমিফাইনালে কোনো সুযোগই দেয়নি পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা।

বুধবার রাতে ম্যান ইউর ঘরের মাঠে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডেই হয়েছিল শেষ চারের ম্যাচটি। কিন্তু স্বাগতিক দলের মতো করে খেলেছে ম্যান সিটি। প্রথমার্ধে তেমন আশা জাগানিয়া খেলতে না পারলেও, দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় তারা, তুলে নেয় ২-০ গোলের জয়।

আগামী ২৫ এপ্রিল হবে লিগ কাপের ফাইনাল ম্যাচ। যেখানে পেপ গার্দিওলার শিষ্যদের প্রতিপক্ষ তার প্রতিদ্বন্দ্বী কোচ হোসে মরিনহোর টটেনহ্যাম। প্রথম সেমিফাইনালে দ্বিতীয় বিভাগের দল ব্রেন্টফোর্ডকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে স্পার্সরা।

দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ম্যাচটিতে দুই দলই নিজেদের নিয়মিত গোলরক্ষকদের বিশ্রামে রেখে খেলা শুরু করে। ম্যাচের নবম মিনিটে প্রথম বড় সুযোগ তৈরি করে ম্যান ইউ। ব্রুনো ফার্নান্দেসের জোরালো ঝাঁপিয়ে পড়ে কর্নারের বিনিময়ে সেটি ঠেকিয়ে দেন ম্যান সিটির ২৫ বছর বয়সী গোলরক্ষক জ্যাক স্টিফেন।

এর কিছুক্ষণ পর হতাশ হতে হয় ম্যান সিটিকে। কেভিন ডি ব্রুইনের শট বাধাপ্রাপ্ত হয় বারপোস্টে। প্রথমার্ধে দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে বারবার ঢুকে পড়ছিল একে অন্যের রক্ষণে। কিন্তু আক্রমণভাগে ছন্নছাড়া পারফরম্যান্সে ডি-বক্সের মধ্যে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি কোনো দল।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে বদলে যায় ম্যান সিটির চেহারা। একের পর এক আক্রমণে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে ম্যান ইউর রক্ষণকে। ম্যাচের ৫৩ মিনিটের সময় গোলের তালা ভাঙেন জন স্টোনস। লিড পেয়ে আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় তবে লক্ষ্য বরাবর শট নিতে পারছিল না তারা।

ম্যাচ যখন ১-০ গোলে শেষ হওয়ার পথে তখন ৮৩ মিনিটের মাথায় দ্বিতীয় গোলটি করেন ফার্নান্দিনহো। ডি-বক্সের বাইরে থেকে বুদ্ধিদীপ্ত এক ভলিতে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন এ ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার। ম্যান সিটির জয়ের ব্যবধান আরও বড় হতে পারত। কিন্তু অফসাইডের কারণে বাতিল হয় তাদের দুইটি গোল। ফলে মাঠ ছাড়তে হয় ২-০ গোলের জয়ে।