প্রাথমিকের ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য দারুণ সুখবর

দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকলেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীকে দারুণ সুখবর দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তথ্য এন্ট্রি ও জন্ম সনদ জটিলতায় চার দফায় সময় বৃদ্ধির পর আগামী ১ ফেব্রুয়ারি উপবৃত্তি পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

ওই দিন মোবাইল লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’ এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এ উপবৃত্তির টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

এ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। এর ফলে ১০ মাস পরে ২০২০ সালের এপ্রিল-জুন কিস্তির উপবৃত্তির টাকা পাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

এদিকে, উপবৃত্তির টাকা পাওয়ার তথ্য এন্ট্রির সময় চতুর্থ দফা বাড়িয়েছে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প। শিক্ষার্থীদের তথ্য সার্ভারে ইনপুট দিতে বাকি থাকায় আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়। এরপর আর কোনো সময় বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, সোমবার (২৫ জানুয়ারি) তৃতীয় দফায় তথ্য এন্ট্রির শেষ দিন ছিল। সন্ধ্যা পর্যন্ত সারা দেশে ৬৪ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫৪ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান তথ্য এন্ট্রি করেছে। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত শিক্ষার্থীদের জন্মসনদের জটিলতায় পড়েছে।

এনিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব গোলাম মো. হাসিবুলের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম এবং প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প (তৃতীয় পর্যায়) পরিচালক মো. ইউসুফ আলী। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে তথ্য এন্ট্রির সর্বশেষ তথ্য নিয়ে আলোচনা হয় এবং চতুর্থ বারের মতো সময় বাড়ানো, উপবৃত্তি বিতরণের তারিখ নির্ধারণ হয়।

এ ব্যাপারে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলেন, সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর তথ্য এন্ট্রি হয়েছে। বাকিদের তথ্য এন্ট্রির সময় আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে এরপরে আর কোনো সময় বাড়বে না।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর গত ১৭ মার্চ থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত ছুটি পর্যন্ত বাড়ানো হয়।