রান্নায় জিরা ব্যবহার করেন ? তাহলে এই সত্যি টি অবশ্যই জেনে নিন

বাকি সব মশলার মতো জিরা আমাদের রান্নাঘরের একটি অতিপ্রয়োজনীয় উপাদান। রোজকার রান্নাবান্নায় জিরার উপস্থিতি টের পাওয়া যায়।

কিন্তু শুধুই কি রান্নায় স্বাদের জন্য ? নাকি জিরার আরো কোন এমন উপকারী দিক আছে যেগুলো হয়তো আমরা জানিনা। আছে আছে। সেটাই আজ জানাবো আপনাকে।নতাহলে চলুন আর দেরি না করে বলেই ফেলি।
পেটের অতিরিক্ত মেদের জন্য যারা নিজের পছন্দের জামাকাপড় পড়তে পারছেননা তাদের মুশকিল আসান করবে জিরা। হ্যাঁ জিরা পেটের বাড়তি মেদ কমাতে সাহায্য করে। সিদ্ধ সবজির ওপর আদা কুচি, লেবুর রস আর জিরার গুঁড়া ছিটিয়ে দিন এবং রাতের খাবার হিসেবে খান। পেটের মেদ কমানোর এটি একটি সহজ উপায়।

বর্তমান প্রজন্মের বহু ছেলেমেয়েই ইনসমনিয়ার সমস্যায় ভোগেন। ইনসমনিয়া হলো এমন এক রোগ যার ফলে ঘুম আসেনা কোন সময়েই। এই রোগ বাড়তে থাকলে রোগীর অবস্থার দিনে দিনে অবনতি ঘটতে থাকে। যারা এই রোগের শিকার, তাদের জন্য জিরা ভেজানো খুব উপকারী।নিয়মিত রাতে ঘুমানোর আগে জিরা ভেজানো খেলে ঘুমের সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

১ গ্লাস জলের মধ্যে ২ চামচ আস্ত জিরা ভিজিয়ে রাখতে হবে সারা রাত। সকালে সেই জল ছেঁকে তার মধ্যে অল্প পরিমাণে লেবুর রস মিশিয়ে খালি পেটে খেতে হবে। ওজন কমাতে অন্তত তিন সপ্তাহ এ মিশ্রণটি খেতে হবে। এছাড়া প্রতিদিন ৫ গ্রাম দই এর সাথে ১ চামচ গুড়া জিরা মিশিয়ে খেলেও ওজন কমবে।

আপনি কি হজমের সমস্যায় ভোগেন? জিরা হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।পেটে গ্যাস জমা কমায় ও বদ হজম থেকেও মুক্তিদেয়।এক গ্লাস জলে এক চা চামচ জিরা জ্বাল দিতে হবে। তারপর এর রং বাদামী হয়ে আসলে নামিয়ে ফেলতে হবে। ঠান্ডা হয়ে এলে এটি পান করতে হবে। এটি দিনে ৩-৪ বার পান করতে হবে। এ মিশ্রণটি পেট ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে এবং হজমশক্তি বৃদ্ধি করবে।