যেসব ফ্যাটি খাবার ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে

যারা ওজন কমাতে চাইছেন তারা সবসময় ফ্যাটি খাবার থেকে দূরে থাকেন। এসব খাবার শুধু অস্বাস্থ্যকরই নয়, এসব মোটা হওয়ার প্রবণতাও বাড়ায়।

তবে এমন কিছু ফ্যাটি খাবার আছে যেগুলি ওজন কমানোর জন্য যেমন উপকারী তেমনি সামগ্রিকভাবে শরীর ভালো রাখতেও সহায়তা করে।

স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি খাবার ক্ষুধার হরমোন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। সেই সঙ্গে উচ্চ-ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমায়। কোনও কোনও ফ্যাটি খাবার ভিটামিন এবং খনিজে পূর্ণ থাকে।

তবে যেসব ফ্যাটি খাবার খেলে শরীরের ওজন বেড়ে যায় সেগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। যেসব ফ্যাটি খাবার ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে-

অ্যাভাকাডো:

মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ অ্যাভাকাডো শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার ও প্রোটিন থাকায় এই ফল খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা অনুভূত হয়। ফলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমে।

ডিম:

ওজন কমানোর জন্য অনেকে ফ্যাটের কথা চিন্তা করে ডিমের কুসুম খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। ডিমের সাদা অংশ প্রোটিন দ্বারা পূর্ণ থাকে। অন্যদিকে ডিমের কুসুমে স্বাস্থ্যকর মনস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। এ কারণে ওজন কমানোর জন্য খাদ্যতালিকায় গোটা ডিম রাখা জরুরি।

ডার্ক চকলেট:

জার্নাল অফ সাইকোফর্মাকোলজিতে প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে কয়েক টুকরা চকলেট খেলে ক্ষতির বদলে শরীরের অনেক উপকার করে। এতে থাকা কোকো বাটার দীর্ঘ সময় পেট পরিপূর্ণ রাখে এবং ওজন হ্রাসে সহায়তা করে। এতে থাকা ফাইবার, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, তামা, ম্যাঙ্গানিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তচাপ কমাতে ভুমিকা রাখে।

নারকেল:

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় নারকেল যুক্ত করলে বা নারকেল তেল দিয়ে রান্না করলে তা ওজনের ওপর প্রভার ফেলে না। যদিও নারকেলে উচ্চমাত্রায় স্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে, তারপরও এতে থাকা লৌরিক অ্যাসিড বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

এছাড়া এক গবেষণায় দেখা গেছে, নারকেল তেল পেটের মেদ কমাতে বেশ কার্যকরী।

ফ্যাটি মাছ:

স্যামন, সার্ডিন এবং ম্যাকরেলের মতো সামুদ্রিক ফ্যাটি মাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এসব মাছে থাকা প্রোটিন হৃদরোগের জন্য উপকারী। এছাড়া এসব মাছ ওজন কমাতেও সহায়তা করে।