স্কুল খুললেই হবে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

কোভিড-১৯ মহামারির কারণে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (কওমি ছাড়া) ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা আছে। গত বছরের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর থেকেই এই ছুটি চলমান রয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাও শুরু করা সম্ভব হয়নি। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আবার শুরু করা হবে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক আলমগীর মুহাম্মদ মনসুরুল আলম।

তিনি বলেন, করোনা মহামারি চলাকালীন নিয়োগ সংক্রান্ত টেকনিক্যাল কাজ আমরা এগিয়ে রেখেছি। নিয়োগে ব্যবহারের জন্য সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের কাজও শেষ হয়েছে। পরীক্ষার বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সঙ্গে চুক্তিও সম্পন্ন হয়েছে।

গত বছরের ২৪ নভেম্বর আবেদন প্রক্রিয়া শেষে ২০২১ সালের জানুয়ারি অথবা ফেব্রুয়ারিতে পরীক্ষা নেয়ার পরিকল্পনা করেছিল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির জন্য পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়নি।

চলমান মহামারি ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে করা আদালতে রিটের বিষয়ে ডিপিই মহাপরিচালক বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। এরপরও অধিদফতর বসে নেই। আমরা নিয়োগ পরীক্ষার মত মহাযজ্ঞ আয়োজনের প্রস্তুতি হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। আয়োজনও প্রায় সম্পন্ন। সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সঙ্গেই নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ সময় জানিয়ে দেয়া হবে।

উল্লেখ্য, প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে ৩২ হাজার শিক্ষককে নিয়োগ দেবে সরকার। এরমধ্যে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে নিয়োগ পাবেন ২৫ হাজার ৬৩০ জন। এই নিয়োগে আবেদন পড়ে ১৩ লাখ ৫ হাজারের বেশি।