কবুতরের সঙ্গে স্কুলছাত্রী হেমার পরম ভালোবাসা

ভালোবাসা বাঁচিয়ে রাখে ও বাঁচায়। হতে পারে সেটা মানুষ, পশু-পাখির প্রতিও। এমনি এক কিশোরীর পরম মমতা আর ভাকেলাবাসায় বেঁচে আছে একটি কবুতরের বাচ্চা।

কবুতরের মা ও বাবা খাবার খাওয়ানো বন্ধ করে দেয়ায় মরতে বসা বাচ্চাটিকে নিজের মুখে খাবার খাইয়ে বাঁচিয়ে রেখেছে ময়মনসিংহ শহরের আর. কে মিশন রোডের স্কুল পড়ুয়া আদিবা রহমান হেমা।

নিজের মুখে খাবার নিয়ে চিবিয়ে নরম করে কিশোরী হেমা প্রতিদিন পরম মমতায় কবুতরের বাচ্চাটির মুখে খাবার তুলে দেয়।

কবুতরের বাচ্চাটিকে ওর বাবা-মা জন্মের কিছুদিন পর থেকেই খাওয়ানো বন্ধ করে দেয়। খাবার না পেয়ে মারা যাবার উপক্রম হয় বাচ্চাটির। বিষয়টি নজরে আসে রেলওয়েতে কর্মরত এনায়েত হোসেন খানের স্ত্রী মেহেরুন্নেসসা ও তার স্কুলপড়ুয়া মেয়ে হেমার। মা-মেয়ে বের করেন কবুতরের বাচ্চাটিকে খাওয়ানোর অভিনব পন্থা। নিজের মুখে খাবার নিয়ে প্রতিদিন বাচ্চাটির মুখে খাবার তুলে দেয় হেমা। তার মুখের খাবার খেয়ে বড় হচ্ছে কবুতরের বাচ্চাটি।

আদিবা রহমান হেমা বলেন, কবুতরটি আমার কাছে থাকতে থাকতে আমার সাথে ওর ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। এখন আর অন্য কারো কাছে ও খেতে চায় না।’

পোষা কবুতরের বাচ্চার প্রতি এমন ভালোবাসায় গর্বিত ও আনন্দিত হেমার বাবা-মা।

ময়মনসিংহের বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আদিবা রহমান হেমা। তাদের বাসায় ১৭ জোড়া কবুতরসহ বিভিন্ন প্রজাতির বেশ কিছুপাখি রয়েছে।