শোচনীয় পরাজয়ের পরও যাদের প্রশংসা করলেন মুমিনুল

ঢাকা টেস্টের চতুর্থ দিন ২৩০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২১৩ রানেই সব উইকেট হারিয়েছে মুমিনুল হকের দল। ফলে ১৭ রানের পরাজয়ের পাশাপাশি সিরিজে হোয়াইট ওয়াশ হতে হয়েছে টাইগারদের।

প্রথম টেস্টের পর দ্বিতীয় টেস্টেও শোচনীয় পরাজয় বরণ করে নিতে হলো বাংলাদেশকে। অথচ চতুর্থ দিনের শুরুটা কি দারুণই না করেছিলেন বাংলাদেশের স্পিনাররা। ৭৬ রানের মধ্যেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৭ উইকেট নিয়েছিলেন তারা। ২৩০ রানের লক্ষ্য ব্যাট করতে নেমে দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকারও দারুণ শুরু করেছিলেন।

দুজনে মিলে গড়েছিলেন ৫৯ রানের জুটি। এরপর ক্যারিবীয় স্পিনারদের সামনে যেন তাসে ঘরের মতো ভেঙ্গে পড়তে থাকে টাইগারদের ব্যাটিং অর্ডার। দেশের হাজার হাজার সমর্থকদের মতো মুমিনুলও ওপেনারদের খেলা দেখে ভেবেছিলেন খুব সহজেই জিতে যাবে বাংলাদেশ। অথচ ১৭ রানের আক্ষেপ নিয়ে সিরিজ খোঁয়াতে হলো তাদের।

এদিকে ম্যাচ শেষে মুমিনুল বলেন, আপনি যখন হেরে যাবেন এটি হতাশাজনক। ব্যাট এবং বল হাতে মিরাজ বেশ ইতিবাচক ছিল। তাইজুল সত্যিই দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। তামিম এবং মুশফিক ভাই হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন। ওপেনাররা যখন ব্যাটিং করছিল তখন ভেবেছিলাম আমরা লক্ষ্য তাড়া করতে পারব। তবে মিডল অর্ডার খারাপভাবে ভেঙে পড়েছে।

চতুর্থ দিনের শেষ বিকেলে সমীকরণটা এমন দাড়িয়েছিল যে বাংলাদেমের জয়ের জন্য প্রয়োজন ৪৪ রান, হাতে আছে ১ উইকেট। সেখান থেকে দলকে ২১৩ রানের কোটায় পৌছে দেয়ার কৃতিত্ব মিরাজের। নিজে ৩১ রানে আউট হয়ে গেলেও ম্যাচ বাঁচানো সর্বাত্বোক চেষ্টা করেছিলেন তিনি। ম্যাচ শেষে মুমিনুলও এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান প্রশংসা করলেন।

যদিও দেশ সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতি প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় ম্যাচেও টের পেয়েছে বাংলাদেশ। ফলে অধিনায়ক হিসেবে দলের ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন ছিল বলে মনে করেন টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মিরাজ অনেক চেষ্টা করেছিল কিন্তু আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারিনি। সাকিব ভাই একের মধ্যে দুইয়ের মতো ক্রিকেটার। সুতরাং আমরা যখন তাকে হারিয়েছি, তখন অধিনায়ক হিসেবে দলের ভারসাম্য বজায় রাখা খুবই কঠিন ছিল।