যেসব আমলে মিলবে জান্নাতুল ফেরদাউস

আল্লাহ্‌ মহান। এই সুন্দর দুনিয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ্‌। তিনিই আমাদের একমাত্র ভরসা। বিভিন্ন হাদীস অনুসারে আল্লাহ’র ৯৯টি নামের একটি তালিকা আছে।

কিন্তু তাদের মধ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট ধারাবাহিক ক্রম নেই। বান্দা-বান্দি আল্লাহকে যে কোন নামে ঢাকলেই তিনি সাড়া দেন। আল্লাহ বান্দার প্রতি ক্ষমাশীল। মানুষের জীবনে প্রতিটি মুহূর্তই আল্লাহ তাআলার নেয়ামতে পরিপূর্ণ।

পরকালের মানুষের চিরস্থায়ী আবাস হলো জান্নাত ও জাহান্নাম। কর্মফল অনুযায়ী মানুষ এসব স্থানে অবস্থান করবে। আবার যারা জান্নাতে যাবেন তাদের কর্মের মান অনুযায়ী জান্নাতের স্তরও ভিন্ন হবে। মানুষের আমলের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের বিচারে জান্নাতেরও শ্রেণি-বিভাগ রয়েছে। এ সবের মধ্যে সর্বোচ্চ ও শ্রেষ্ঠ জান্নাতের নাম ‘জান্নাতুল ফেরদাউস’। তাহলে জান্নাতুল ফেরদাউস কারা পাবেন? জান্নাতুল ফেরদাউস লাভে তাদের আমলের ধরণই বা কেমন হবে?

মুমিনের চুড়ান্ত কাঙিক্ষত স্থান জান্নাতুল ফেরদাউস। কুরআন-সুন্নায় পাতায় পাতায় মুমিন মুসলমানের জন্য এ জান্নাত লাভের সুসংবাদ দেয়া হয়েছে। এ জন্য রয়েছে কিছু শর্ত ও কাজ। আলোচিত হয়েছে এর নিয়ম ও পদ্ধতি। আল্লাহ তাআলা বলেন-

وَالَّذِينَ آمَنُواْ وَعَمِلُواْ الصَّالِحَاتِ سَنُدْخِلُهُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا أَبَدًا وَعْدَ اللّهِ حَقًّا وَمَنْ أَصْدَقُ مِنَ اللّهِ قِيلاً
‘যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং সৎ কাজ করেছে, আমি তাদের জান্নাতে প্রবেশ করাব। যে জান্নাতসমূহের তলদেশে প্রবাহিত হবে নদী। তারা চিরকাল সেখানে অবস্থান করবে। আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সত্য সত্য। আল্লাহর চাইতে অধিক সত্যবাদী কে?’ (সুরা নিসা : আয়াত ১২২)

আলোচ্য আয়াতের আলোকে ‘ঈমান’ হলো জান্নাত লাভের প্রথম শর্ত। অর্থাৎ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। তারপর সৎ কাজ করতে হবে। সৎ কাজ হলো বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেসব নিয়ম নীতি ও আদর্শ নিয়ে এসেছেন তার যথাযথ বাস্তবায়ন। আর তাই জান্নাত লাভের সহজ ও সঠিক পথ।