ফলের বীজ খেলে নিয়ন্ত্রণ আসবে ডায়াবেটিস

প্রাকৃতিক অনেক ভেষজ উপাদান আছে যা আমাদের অনেক কঠিন রোগ থেকে মুক্তি দেয়। এমন অনেক ভেষজ আছে যেগুলো শুধু ডায়াবেটিস নয়; দীর্ঘমেয়াদী অনেক রোগ প্রতিরোধ করে।

কেননা একটু বয়স বারলেই দেহে নানা রকম রোগ বাসা বাঁধে। এরমধ্যে খুবই পরিচিত একটি গর হচ্ছে ডায়াবেটিস। যা আপনার একটু অনিয়মের কারণে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

যদিও ওষুধ কিংবা ইনসুলিন ব্যবহার করা সহ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনতে অনেকেই অনেক কিছু করেন। তবুও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় না। এজন্য দরকার জীবন-যাপনে পরিবর্তন আনা ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া।

আর ভেষজ উপাদান সমৃদ্ধ ফল হলো পেয়ারা। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ পেয়ারা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী।

শুধু এই ফলই নয়, এ ফলের বীজেও রয়েছে বিশেষ সব পুষ্টিগুণ।

চলুন তবে জেনে নেয়া যাক পেয়ারার বীজে থাকা বিভিন্ন পুষ্টিগুণ যেভাবে দীর্ঘমেয়াদী রোগ থেকে মুক্তি দেয়-

১. পেয়ারার বীজে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে, যা দেহে ইনসুলিনের মাত্রা কমায়। পেয়ারা এবং এর বীজ টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই ভালো।

২. এছাড়াও পেয়ারায় থাকে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার। কোলেস্টেরলের মাত্রা থাকে খুবই কম। ফলে পেয়ারা অনেকক্ষণ পেটা ভরা রাখে।

৩. পেয়ারা বীজে ডায়েটারি প্রোটিন আছে। এটি চিনি এবং চিনির যৌগ ভাঙতে সহায়তা করে এবং মিষ্টি খাবারগুলো সহজে হজম করে।

৪. এ সুপারফুড রান্না এবং কাঁচা উভয় পদ্ধতিতেই খাওয়া যায়। পেয়ারায় থাকা পুষ্টিগুণ ত্বক, শরীর এবং চুলের জন্য উপকারী।

৫. পেয়ারার বীজে পটাশিয়ামের পরিমাণ থাকে কলার তুলনায় ৬০ শতাংশ বেশি। যা শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

৬. পেয়ারায় থাকা ফাইবার এবং মিনারেল শরীরকে ফ্যাট জমা করতে দেয় না। এতে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৭. চিকিত্সকরা সাধারণত উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য পেয়ারা খাওয়ার পরামর্শ দেন। পেয়ারার বীজে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে যা রক্ত প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ করে।

পেয়ারায় থাকা ফাইবারের কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। এটি হজমে উন্নতি করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমায়। পেয়ারার বীজ সরাসরি গিলে ফেললেও সমস্যা হয় না।