স্ত্রীর পরিকল্পনায় স্বামীকে ৭ টু’করা, ইমামের পর সেই ‘প’রকীয়া’ স্ত্রীও গ্রে’প্তার

মসজিদের সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে আজহারুল নামে এক গার্মেন্টস কর্মীর অ’র্ধগলিত সাত টুকরা লা’শ উ’দ্ধারের ঘটনায় মসজিদের ইমামের পর এবার আজহারের স্ত্রীকেও গ্রে’প্তার করা হয়েছে। বি’ষয়টি নিশ্চিত করে র‌্যা’ব-১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আব্দুল মোত্তাকিম বলেন, হ’’ত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী স’ন্দেহে আজহারের স্ত্রী আসমা আক্তারকে (৩৩) মঙ্গলবার রাতে আবদুল্লাহপুর এলাকা থেকে গ্রে’প্তার করা হয়।

এর আগে, সংবাদ সম্মেলনে লে. কর্নেল মো. আব্দুল মোত্তাকিম জানান, রাজধানীর দক্ষিণখানে ‘মাদ্রাসাতুল রাহমানিয়া আল আরাবিয়া‘ নামের মাদ্রাসার পাশেই সরদার বাড়ি জামে মসজিদ। এই মসজিদে ৩৩ বছর ধরে ইমামতি করে আসছিলেন মাওলানা আব্দুর রহমান। পাশাপাশি তিনি মাদ্রাসায় পড়াতেন। আজহারের ছেলে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী হওয়ায় এই সূত্রে আজহারের পরিবারের সাথে ভালো সম্পর্ক থেকে একসময় আজহারের স্ত্রীর সাথে প’রকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে ইমামের। আর এই পরকীয়ার জেরেই হ’’ত্যাকাণ্ড হতে পারে।

র‍্যা’ব সূত্রে জানা গেছে, স্ত্রীর সাথে প’রকীয়ার সম্পর্ক ছিল ইমাম আব্দুর রহমানের- এমন অ’ভিযোগ নিয়ে গত ১৯ মে রাতে ওই মসজিদের দোতলায় ইমামের কক্ষে গিয়েছিলেন আজহার। তিনি ইমামকে তার স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক রাখতে নিষেধ করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হলে একপর্যায়ে পশু জ’বাইয়ের ছু’রি দিয়ে আজহারকে হ’’ত্যা করেন ইমাম আব্দুর রহমান। পরে ভোর পর্যন্ত একাই লা’শ সাত টুকরা করে নিচে সেপটিক ট্যাংকে ফে’লে দেন তিনি।

পরবর্তীতে হ’’ত্যার পর সেপটিক ট্যাঙ্কে ম’রদেহ রেখে নিয়মিত নামাজও পড়ান আব্দুর রহমান। কিন্তু কিছুদিন পর সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে দুর্গন্ধ বের হলে খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ওই মসজিদের ওজুখানার সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে আজহারের ম’রদেহ উ’দ্ধার করে পুলিশ। পরে হ’’ত্যায় জ’ড়িত থাকার অ’ভিযোগে মসজিদটির ইমাম মাওলানা মো. আব্দুর রহমানকে (৫৪) আ’টক করে র‍্যা’ব।