যেসব এলাকা লকডাউন ঘোষণা

মহামারি ক’রোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় এবং ভারতের ভ্যারিয়েন্ট দেশে প্রবেশ করায় সীমান্তবর্তী বিভিন্ন জেলায় কঠোর বিধি নিষেধ এবং লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে জেলা ক’রোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটি।

খুলনা প্রতিনিধি জানিয়েছে, খুলনা জেলা লকডাউনের প্রয়োজন নেই। তবে আগামী ৪ জুন থেকে খুলনা সদর, সোনাডাঙ্গা ও খালিশপুর থানা এলাকায় এক সপ্তাহ দোকানপাট বন্ধ রাখা হবে।

বুধবার (০২ জুন) দুপুরে খুলনা জেলা ক’রোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভায় কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি জানিয়েছে, বুধবার সকাল থেকে দামুড়হুদা উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী কার্পাসডাঙ্গা এলাকা আংশিক লকডাউন করেছে উপজেলা প্রশাসন।

লকডাউনকৃত এলাকাগুলো হলো- কার্পাসডাঙ্গা-ঠাকুরপুর সড়ক, কার্পাসডাঙ্গা-কুতুবপুর সড়ক, কার্পাসডাঙ্গা মিশনপাড়া সড়ক, তালসারি মোড়, নাটুদহের গোচিয়ারপাড়া মোড় ও ফকিরপাড়া মোড়।

ওইসব স্থানে বাঁশ ও গাছের গুড়ি ফেলে সড়ক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ওই এলাকার চুল ব্যবসায়ীদের সকল কার্যক্রম এক মাসের জন্য স্থগিত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি জানিয়েছে, ক’রোনার সংক্রমন হার কমাতে, প্রথম দফার ৭ দিনের লকডাউন শেষে ২য় দফায় লকডাউন আরো সাত দিন বাড়ানো হয়েছে।

২য় দফা লকডাউনের ২য় দিনেও চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর জুড়েই চেকপোস্ট বসিয়ে পুলিশ সদস্যরা জনসাধারনের গতিবিধি নিয়ন্ত্রন করছেন। মাঠে আছে জেলা প্রশাসের একাধিক ভ্রাম্যমান আদালত।

নওগাঁ প্রতিনিধি জানিয়েছে, ক’রোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় ১৫ দফা নির্দেশনা দিয়ে নওগাঁ জেলার নওগাঁ পৌরসভা এলাকা ও নিয়ামতপুর উপজেলায় এক সপ্তাহের জন্য বিশেষ লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

অন্যান্য উপজেলায়ও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক হারুন অর রশীদ বুধবার দুপুরে তার কার্যালয়ে প্রেস বিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন।

এদিকে টেকনাফ প্রতিনিধি জানিয়েছে, কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ৬ দিনের লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ জুন) সকাল থেকে শুরু হয়ে আগামী ৬ জুন পর্যন্ত চলমান থাকবে।