সাকিব- তামিমের রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন বাবর-ফাওয়াদ

বাংলাদেশের ক্রিকেটকে আজকের এই উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে আসতে যে কয়জন ক্রিকেটার সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তাঁর মধ্যে সাকিব-তামিম অন্যতম অন্যতম।

এই পর্যন্ত অনেক রেকর্ড নিজেদের করে নিয়েছেন এই তারকা ক্রিকেটাররা।

নতুন খবর হচ্ছে, কিংস্টনে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২ রানে ৩ উইকেট হারানো পাকিস্তানকে উদ্ধার করেন অধিনায়ক বাবর আজম ও ফাওয়াদ আলম। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে দলকে বিপদমুক্ত করার পাশাপাশি দারুণ এক নজিরও গড়েন দুজন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একই রানে অর্থাৎ দলের স্কোর যখন ২ রান, তখন পরপর ৩ উইকেট হারিয়ে বসেছিল পাকিস্তান। সেখান থেকে বাবর আজম এবং ফাওয়াদ আলম জুটি ১৫৮ রানের পার্টনারশিপ গড়ে। আর এটাই হয়ে যায় নতুন নজির। একই রানে ৩ উইকেট হারানোর পরেও সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপের নজির।

এর আগে ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের তামিম ইকবাল এবং শাকিব আল হাসান গড়েছিলেন ১৫৫ রানের পার্টিনারশিপ। একই রানে ৩ উইকেট হারানের পরে, এটাই ছিল এত দিন সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপের নজির। এই তালিকায় এর পরে রয়েছেন পাকিস্তানেরই ফআর জামান এবং সরফরাজ আহমেদ। এই জুটি ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১৪৭ রানের পার্টনারশিপ গড়েছিল।

উল্লেখ এদিন জ্যামাইকায় টসে হেরে স্বাগতিকদের আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ৩.৪ ওভারেই ২ রানে ৩ উইকেট হারায় পাকিস্তান। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ডানহাতি ওপেনার আবিদ আলি (১) ফেরেন রোচের বলে। এক ওভার বিরতি দিয়ে আবার আঘাত হানেন রোচ। এবার আজহার আলিকে ফেরান কোন রান তোলার আগেই।

পরের ওভারে আঘাত আরেক পেসার জেডেন সিলসের। আম্পায়ার আবেদনে সাড়া না দিলেও রিভিউ নিয়ে আরেক ওপেনার ইমরান বাটকে ফেরান এই পেসার। মাত্র ২ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর শক্ত হাতে ইনিংসের হাল ধরেন অধিনায়ক বাবর ও অভিজ্ঞ ফাওয়াদ। চতুর্থ উইকেট জুটিটি একশ পেরিয়ে ছাড়িয়ে যায় দেড়শ রানের ঘরও। কিন্তু তখনই আসে বাধা। দীর্ঘক্ষণ ধরে খেলতে খেলতে ক্র্যাম্প করে বসেন ফাওয়াদ। যার ফলে দলীয় ১৬০ রানের মাথায় আহত অবসর হয়ে সাজঘরে ফিরে যেতে হয় তাকে। তখন তার নামের পাশে ১৪৯ বলে ১১ চারের মারে ৭৬ রানের ইনিংস।

অভিজ্ঞ সঙ্গীর সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত বিচ্ছেদের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি বাবর। ইনিংসের ৬১তম ওভারে দলীয় ১৬৮ রানের মাথায় রোচের বলে ধরা পড়েন দ্বিতীয় স্লিপে থাকা জেসন হোল্ডারের হাতে। ফলে সমাপ্তি ঘটে ১৭৪ বলে ১৩ চারের মারে খেলা ৭৫ রানের সম্ভাবনাময় ইনিংসের।