আফগানদের ভাগ্য খুলতে তৎপর চীন, উদ্বিগ্ন ভারত

আফগানিস্তানে ভেতর দিয়ে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চায় চীন। এই নিয়ে এরইমধ্যে ভারতের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

আফগানিস্তানে যখন তালেবানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হতে যাচ্ছে ঠিক সেই মুহূর্তেই এ খবর এল। খবর পার্সটুডের।

শুক্রবার (৩ আগস্ট) চীন বলেছে, তালেবান নেতারাও বেইজিংয়ের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্প সমর্থন করেন।

তারা বিশ্বাস করেন, এই প্রকল্প যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য লাভজনক হবে।

এছাড়া তালেবান চীনকে তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে ঘোষণা করেছে। তালেবান নেতারা জানিয়েছেন, দেশের পুনর্গঠনে বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত চীন।

বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের কাজ সাবেক প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির আমলে খুব বেশি একটা এগোতে পারেননি। কারণ হচ্ছে তালেবান ইস্যুতে পাকিস্তানের সঙ্গে আফগানিস্তানের ব্যাপক মতপার্থক্য ছিল। আশরাফ গনির ক্ষমতাচ্যুতির মধ্যদিয়ে চীনের জন্য সেই পথ খুলে গেছে।

তালেবান মুখপাত্র জবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ প্রধানত চীনের ওপর নির্ভরশীল। এর আগে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির পুনর্গঠনের সহায়তায় সম্মত হয়েছে চীনারা।

বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) ইতালীয় প্রকাশনা লা রিপাবলিকায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চীন আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। আমাদের জন্য মৌলিক ও অসাধারণ এক সুযোগের কথা তারা তুলে ধরেছে। তারা আফগানিস্তান পুনর্গঠন ও বিনিয়োগে প্রস্তুত।

২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ক্ষমতায় আসার পর বেইজিং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্প উদ্বোধন করেন।

এই প্রকল্পে মূল লক্ষ্য হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়া, মধ্য এশিয়া, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে, আফ্রিকা এবং ইউরোপকে স্থল ও সমুদ্র পথের মাধ্যমে একটি নেটওয়ার্কের আওতায় আনা। ভারত শুরু থেকেই এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।