পাঁচতলা বাড়ি ও ঢাকায় পাঁচটি ফ্ল্যাটের মালিক ট্রাকের হেলপার

দু’র্নীতি করে বাসের হেলপার থেকে কোটিপতি হয়েছেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজে’লার সয়দাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নবিদুল ইস’লাম।

এরই মধ্যে তার দু’র্নীতি ত’দন্তে নেমেছে দু’র্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ইতোমধ্যে সরেজমিন পরিদর্শন করে নবিদুলের সম্পদ অনুসন্ধান ও কয়েক দফা শুনানি শেষ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মা’মলার ত’দন্ত কর্মক’র্তা সিরাজগঞ্জের অ’তিরিক্ত জে’লা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবিএম রওশন কবীর।

এবিএম রওশন কবীর বলেন, বাসের হেলপার থেকে কোটিপতি হওয়া ইউপি চেয়ারম্যান নবিদুল ইস’লামের অ’বৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে দুদকে একটি অ’ভিযোগ করা হয়েছিল। দুদক প্রধান কার্যালয় ঢাকা থেকে অ’ভিযোগটি ত’দন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য জে’লা প্রশাসক সিরাজগঞ্জ বরাবর জুলাই মাসের প্রথম দিকে একটি চিঠি দেয়া হয়। জে’লা প্রশাসক এই অ’ভিযোগটি ত’দন্তের জন্য আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

অ’তিরিক্ত জে’লা প্রশাসক রওশন কবীর আরও বলেন, ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ অ’ভিযু’ক্ত ইউপি চেয়ারম্যানের দুই দফা শুনানি করা হয়েছে। নির্বাচন অফিসে তার দেয়া হলফনামা ও রিটার্নে উল্লেখ করা সম্পদের সঙ্গে বর্তমান সম্পদ মিলিয়ে দেখা হবে। ত’দন্ত প্রতিবেদন তৈরি করে জে’লা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করা হবে শিগগিরই।

রওশন কবীর বলেন, গত ২২ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ জে’লা দু’র্নীতি প্রতিরোধ কমিটি আয়োজিত গণশুনানিতে ইউপি চেয়ারম্যান নবিদুল ইস’লামের বি’রুদ্ধে দু’র্নীতির মাধ্যমে অ’বৈধ সম্পদ অর্জনের অ’ভিযোগ করা হয়। অ’ভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বাসের হেলপার থেকে নবিদুল ইস’লাম প্রথমে সয়দাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে তিনি মুলিবাড়ি গ্রামে পাঁচতলা ও দ্বিতল দুটি বাড়ি করেন। ঢাকায় পাঁচটি ফ্ল্যাট কিনেছেন তিনি। এছাড়া নিজস্ব ২০টি ট্রাক, মাইক্রোবাসসহ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে তার। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, নিরীহ মানুষকে মা’মলা-মোকদ্দমা’র ভ’য় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়া ছাড়াও মা’দকসহ এলাকার সব অ’বৈধ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন নবিদুল ইস’লাম।

x