বাচ্চাদের সামনে গরু জ’বা’ই করবেন না মানে? অবশ্যই করবেন

বাচ্চাদের সামনে গরু জ’বা’ই করবেন না মানে? অবশ্যই করবেন। তাদের শেখাবেন মানুষের বাচ্চা হিসেবে খাদ্যের প্রয়োজনে গরু জবাই করো। ছাগল, মুরগিকে জবাই করো।
কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে বিসিএস দিয়ে পুলিশ হয়ে ক্রসফায়ার করো না। মানুষকে একটা থা’প্প’রও দিও না।

মানুষকে ভালোবাসো৷ মানুষকে কেটো না। গুলি করো না। মানুষটা যদি তোমার বি’চা’র করতে আসে ন্যায় করো। আসামি হলেও দয়া করো। বি’চা’রের আগেই তাকে যেন অ’বি’চার পেতে না হয় তাই রি’মা’ন্ড দিও না। মানুষটা যদি শিবিরও হয় জোর করে জেলেভরে রেখো না। তোমার মতোই যে আরেকটা মানুষের বাচ্চা তাকে কখনো আঘাত করো না। ঘৃ’ণা করো না। এসব বাচ্চাদের শেখান। বাচ্চাদের রোবট বানাবেন না। নিষ্ঠুরতা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ঠাসা মেশিন বানাবেন না।

বাচ্চকে দিয়ে কোরবানির গোশত চালাচালি করান। একটু বয়স হলে চাপাতি হাতে তুলে দেন। নিজ হাতে গোশত কাটুক।। তারপর সেই গোশত গরিবের পাতে তুলে দিক। দেওয়ার সময় যেন তার মনে থাকে ভিক্ষা দিচ্ছে না, বরং মানুষের হক আদায় করছে। গোশতের বাটি হাতে সন্তানকে স্বজনের বাড় নিয়ে যান। বাচ্চার বয়স কম হলে সঙ্গে রেখে শেখান বুঝান। তাকে দায়িত্ব শেখান। গরু কোরবানি দিয়ে তাকে বোঝান কোনটা কর্তব্য আর কোনটা বারণ। শোনেন ফেইক মানবতাবাদী হবেন না।

আপনার সন্তান গেইমস খেলে, কার্টুন দেখে, মুভি দেখে। সেখানে সে আরেকটা মানুষকে গুলি করে মারতে দেখে। এক মানুষ অপর মানুষকে মারধর করে দেখে। এসব দেখে আপনার সন্তান খু’নী হয়। সে চাকরিতে গিয়ে খু’ন করে। ফেসবুকে এসে অপরকে খু’নে’র পক্ষে কথা বলে।

ক্রসফায়ার খোর হয় সে। এসব নিয়ে আপনি কখনো কনসার্ন না। আপনার হুঁ’শ নাই। আপনি আসছেন বাচ্চাকে দায়িত্ব বুঝতে না দিতে। নবাবের বাচ্চা গরম গোশত খাবে, কিন্তু কিভাবে গো’শত আসবে তা তাকে দেখাবেন না। এসব ফাতরামি ছাড়েন। বা’প’পুত মিলে ঠিকঠাকমতো ঈদ মোবারক হোন।

x