ট্রেন-বাসে কিভাবে ছড়াতে পারে করোনা, বাঁচবেন কিভাবে? সংক্রমণ নিয়ে বিজ্ঞানীদের গবেষণায় চাঞ্চল্যকর তথ্য

সংক্রমণ ছড়ানোর ভয়ে এখনও বন্ধ লোকাল ট্রেন। স্বাভাবিক হয়নি দূরপাল্লার রেল পরিষেবাও। তার মধ্যেই আশার কথা শোনাচ্ছেন চিন ও ইংল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা।
মুখে মাস্ক। যাত্রীদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব। মূলত এই দু’টি সতর্কতা মেনে চললেই দূরপাল্লার ট্রেনে করোনা ছড়ানোর আশঙ্কা অনেকটাই কম, দাবি চিন ও ইংল্যান্ডের বিজ্ঞানীদের। করোনার বিরুদ্ধে সতর্কতাই ঢাল ৷ নিয়ম মানলে ট্রেনে সংক্রমণের আশঙ্কা কম ৷ গবেষণায় দাবি চিন-ইংল্যান্ডের বিজ্ঞানীদের ৷

দেশজুড়ে করোনার সংক্রমণের গ্রাফ প্রতিদিনই রেকর্ড ভাঙছে। লকডাউন থেকে আনলক…সংক্রমণ ছড়ানোর ভয়ে এখনও বন্ধ লোকাল ট্রেন। স্বাভাবিক হয়নি দূরপাল্লার রেল পরিষেবাও। তার মধ্যেই আশার কথা শোনাচ্ছেন চিন ও ইংল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা। তাঁদের দাবি, সুরক্ষা বিধি মেনে চললে ট্রেনে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা অনেকটাই কমে।

দেশের হাই স্পিড ট্রেনের যাত্রীদের নিয়ে সম্প্রতি গবেষণা চালায় চিনের সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের বিজ্ঞানীরা। পরীক্ষার ফল বলছে, করোনা আক্রান্ত রোগীর সঙ্গে ট্রেন যাত্রা করলে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা সর্বোচ্চ ৩.৫ শতাংশ, সর্বনিম্ন ০.৩২ শতাংশ। করোনা আক্রান্ত রোগীর সিটে কেউ বসলে সেক্ষেত্রে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা মাত্র ০.০৭৫ শতাংশ ৷
চিনে হাই স্পিড ট্রেনের যাত্রীদের নিয়ে গবেষণায় যা উঠে এসেছে, করোনা আক্রান্তের সঙ্গে যাত্রায় সংক্রমণের আশঙ্কা কম ৷ ট্রেনে করোনা আক্রান্তের সম্ভাবনা সর্বোচ্চ ৩.৫%, সর্বনিম্ন ০.৩২% ৷ করোনা আক্রান্তের সিটে বসলে সংক্রমণের আশঙ্কা ০.০৭৫% ৷

ট্রেনে সংক্রমণ ছড়ানোর হার অনেকটাই নির্ভর করছে যাত্রীদের সতর্কতার উপর। সাউথহ্যামটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের মতে, ট্রেনে মাস্ক, স্যানিটাইজারের ব্যবহার, যাত্রীদের কমপক্ষে ৩ মিটারের দূরত্ব ও যাত্রার সময়, এসবের উপরই নির্ভর করে করোনা আক্রান্তের থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা।

সতর্ক হলেই সুরক্ষিত ট্রেন যাত্রা ৷ ট্রেনে মাস্ক, স্যানিটাইজারের ব্যবহার করা আবশ্যক ৷ যাত্রীদের মধ্যে কমপক্ষে ৩ মিটারের দূরত্ব রাখতে হবে ৷করোনা আবহের মধ্যেও যোগাযোগ ব্যবস্থা বজায় রাখতে দেশে দূরপাল্লার ট্রেন চলছে। এরাজ্যে হাওড়া, শিয়ালদহ স্টেশন থেকেও একাধিক এসি স্পেশাল ট্রেন চালাচ্ছে রেল। তাই যাত্রী সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে একাধিক নির্দেশিকা জারি করেছে মন্ত্রক।

উপসর্গ না থাকলেই যাত্রার সুযোগ। ট্রেনে ওঠা ও নামার সময় যাত্রীদের স্যানিটাইজেশন। ট্রেনে মাস্ক, সামাজিক দূরত্ব বাধ্যতামূলক, ট্রেনে যাত্রীদের দেওয়া হচ্ছে রেডি টু ইট মিল।
উপসর্গহীন যাত্রীদের ট্রেনে ওঠার ছাড়পত্র ৷ ট্রেনে ওঠা ও নামার সময় যাত্রীদের স্যানিটাইজেশন, ফেস মাস্ক, সামাজিক দূরত্ব বাধ্যতামূলক ৷ যাত্রীদের রেডি টু ইট মিল বিলি ৷গবেষণা থেকে স্পষ্ট, সতর্ক থাকলে ট্রেন যাত্রায় করোনা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটা-ই কম। তবে লোকাল ট্রেনে কী সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা সম্ভব? সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরা।