এই সবে ছেলে হল হার্দিক পান্ডিয়ার, এখনই ‘কেরিয়ার’ বেছে দিলেন কে এল রাহুল

আগেকার দিনে এমন হত। সন্তান জন্মালেই বাবা-মায়ের অতৃপ্ত ইচ্ছেপূরণের ভাণ্ডার খুলতে শুরু করত। বাবার দাবি, ছেলে ইঞ্জিনিয়ার হোক। মা বলছে, না ডাক্তার হলেই ভাল। আত্মীয়-স্বজনদের আবার আলাদা আলাদা দাবি। ছোট শিশু ভূমিষ্ঠ হয়েই যেন প্রত্যাশার চাদরে মুড়ে যেত। কিন্তু এখন বাবা-মায়েরা অনেক উদারমনস্ক। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বাবা-মার বক্তব্য, তাঁদের সন্তান যেটা হতে চায় সেটাই হোক।

কোনও জোরজুলুম নেই। তাই বলে কি এখনকার বাবা-মায়েরা সন্তানদের কেরিয়ার নিয়ে চিন্তিত নন! অবশ্যই তাঁরা চিন্তিত এবং সতর্কও। তবে ইচ্ছের বিরুদ্ধে কিছু করলে দিনের শেষে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। এটা এখনকার অভিভাবকদের সিংহভাগ বোঝেন।

ভারতীয় ক্রিকেটে ক্যারিবিয়ান এসেন্স এনেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। তিনি বেপরোয়া। তিনি সময়ের থেকে এগিয়ে ভাবতে পারেন। এমন কিছু করে ফেলতে পারেন যেটা সংকীর্ণ মন নিয়ে ভাবাই যায় না। সার্বিয়ান বান্ধবী নাতাশা স্ট্যানকোভিচের সঙ্গে মাস দুয়েক আগেই বিয়ে করেছেন ভারতীয়

অলরাউন্ডার। বান্ধবীর সঙ্গে বাগদানের কথাও হঠাত্ করেই ঘোষণা করেছিলেন পান্ডিয়া। তার পর একইরকমভাবে চমকে দিয়ে হঠাত্ করে বিয়ের ছবি পোস্ট। আর তার থেকেও অবাক করে বাবা হওয়ার খবর দেন। নাতাশা ও হার্দিকের মাঝে এসে পড়েছে নতুন অতিথি। সংসারের তৃতীয় সদস্য। এই তো সবে বাবা হলেন পান্ডিয়া। বদলেছে জীবন। নতুন জীবন যাকে বলে! কিন্তু এত তাড়াতাড়ি হয়তো পান্ডিয়া ছেলের কেরিয়ার নিয়ে চিন্তিত নন।

ছেলের সঙ্গে একখানা ভিডিয়ো পোস্ট করে পান্ডিয়া লিখেছিলেন- লেটস টক ক্রিকেট। অর্থাত্, ছোট ছেলের সঙ্গেও এবার ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা করতে চান তিনি। আর সেই ভিডিয়োর নিচে কে এল রাহুল নিজের আবদার রাখলেন। লিখলেন, ”ওকে ফাস্ট বোলিং অলরাউন্ডার হতে বলো প্লিজ।” ক্রিকেটারের ছেলে ক্রিকেটার হবে, এমন কোনও মানে নেই। তবে রাহুল আগেভাগে আবদার করে রাখলেন। যদি ছোট্ট পান্ডিয়া ক্রিকেট বেছে নেয় তা হলে যেন ফাস্ট বোলিং অলরাউন্ডার হয়।

x