খুঁটিতে বেঁ’ধে’ নি’র্যা’তন, খা’ও’য়ানো হলো গো’ব’র

ভোলা সদর উপজেলার ২নং ইলিশা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে মুনছুর (৫০) নামের এক বৃদ্ধকে ‘র’শি দিয়ে ‘বেঁ’ধে মধ্যযুগীয় কায়দায় ‘নি’র্যা’তনের ‘ঘ’টনা ঘটেছে। তাতেই ক্ষান্ত না হয়ে তাকে গরুর গোবর (বিষ্টা) জোর করে খাওয়ানো হয়েছে। এ ‘ঘ’ট’নায় মূল হোতা রশিদ মল্লিককে ‘আ’টক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার রাতে ইলিশা ‘ফাঁ’ড়ির ইনচার্জ রতন শীলের নেতৃত্বে এ এস আই মাইনুলসহ পুলিশের একটি টিম তাকে ‘আ’ট’ক করা হয়। আটকৃত রশিদ ইলিশা ৯নং ওয়ার্ডের ‘মৃ’ত আজাহার মল্লিকের ছেলে।

ভুক্তভোগী ইলিশা ৮নং ওয়ার্ডের রফিকুল ইসলামের ছেলে মুনছুর বলেন, আমার জমির চারা আমি উঠিয়েছি। এই জন্য ঈদের চার পাঁচ দিন আগে আমার ভগ্নিপতি রশিদ মল্লিক, সাহেব আলী মল্লিকের ছেলে আসাদ মল্লিক ঘর থেকে ধরে নিয়ে আমাকে মারধর করে।

‘র’শি দিয়ে ‘বেঁ’ধে আমাকে ৩/৪ জনে মিলে গরুর গোবর জোর করে খাওয়ানো হয়েছে। আমি ‘ভ’য়ে ‘মা’ম’লা করিনি। কারণ আমার কেউ নেই। এখন ‘মা’ম’লা করলে আমাকে মেরে ফেলতে পারে, আমার ‘ভ’য় হয়।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মুনছুর এখনো বিয়ে করেননি।

তার ছেলে সন্তান না থাকায় তার আপন ভগ্নিপতি তার ওপর জোড় করে সবসময়। এলকায় রশিদ মল্লিকের প্রভাব থাকায় প্রায় সময়ই মুনছুরকে ‘মা’র’ধর করে তার ওয়ারিশকৃত জমি জবর দখল করে খায়। এভাবেই যদি ‘নি’র্যা’তন করা হয় তাহলে মুনছুর ভোলার গ্রামের বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে এবং রশিদ মল্লিক তার জমি ভোগ দখল করবে তারই একটি পরিকল্পনা বলে অভিমত স্থানীয়দের।

এদিকে এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট হলে মু’হূ’র্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়, নিন্দার ঝড় উঠে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ রাতেই অভিযান করে মূল হোতা রশিদ মল্লিককে ‘আ’ট’ক করেন।

ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ শ্রী রতন শীল বলেন, ফেসবুকে বিষয়টি দেখেছি, এই বর্বরোচিত দৃশ্য দেখে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে একজনকে ‘আ’ট’ক করেছি, বাকিদের ‘আ’ট’কে’র চেষ্টা চলছে।
তবে এই বিষয়ে ভুক্তভোগী মুনসুর বাদী হয়ে ভোলা সদর থানায় ৪ জনের ‘বি’রু’দ্ধে ‘মা’ম’লা করেছে।