অবশেষে জানা গেলো প্রদিপের গড’ফাদারের পরিচয়!

অবশেষে জানা গেলো প্রদিপের গড’ফাদারের পরিচয়!

বেরিয়ে এলো টেকনাফের সদ্যসাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের গডফাদারের নাম।

বাংলা ইনসাইডারের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রদীপের আশ্রয় প্রশ্রয়দাতা ছিলেন কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সাবেক সং’সদ সদস্য ও মা’দক সম্রাট আব্দুর রহমান বদি।

কক্সবাজারে মা’দকের বি’রুদ্ধে যত অ’ভিযান চালিয়েছে পুলিশ সেখানে বদিকে স্পর্শই করা হয়নি। চার মাস আগেও বিভিন্ন অ’ভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রদীপকে টেকনাফ থেকে বদলি করে দেওয়া হয়েছিল।

তখন এই বদলি ঠে’কাতে বদির স্ত্রী বর্তমান সং’সদ সদস্য শাহীন আক্তার চৌধুরী স্ব’রা’ষ্ট্র ম’ন্ত্রণালয় এবং এসপির কাছে ডিও লেটার দিয়েছিলেন।

বদির ক্যাডার হিসেবেই প্রদীপ ছিল সবকিছুর উর্ধ্বে।স্থানীয়রা জানান, প্রদীপ পুলিশের ওসি ছিল না, সে ছিল বদির ওসি। একাধিকবার বদির বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।

তাকে সাময়িক বরখাস্তের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছিল। কিন্তু বদির তেজে তাকে কেউ কিছুই করতে পারেনি।

গত কয়েক বছর ধরেই বদির বিভিন্ন দুর্নইটি অনিয়ম প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে। এর প্রেক্ষিতে সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। কিন্তু তার বদলে মনোনয়ন পান তার স্ত্রী শাহীন আক্তার শাহীন আক্তার চৌধুরী।

ত্নি নির্বাচনে জয়ীও হন। কিন্তু কাগজে কলমেই শুধু তিনি এমপি। সমস্ত কিছু চলে বদির নির্দেশে। স্থানীয়রা জানান, বদির হুকুম ছাড়া কক্সবাজারে গাছের পাতাও নড়ে না। গত ২ বছরে বদির অন্যতম ক্যাডার হয়ে ওঠেন প্রদীপ।

উল্লেখ্য যে, গত ৩১ অগাস্ট রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গু’লিতে নি’হত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। ওসি প্রদীপের নির্দেশেই এই হ’ত্যা বলে অ’ভিযোগ রয়েছে।

এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তাকে বরখাস্ত ও গ্রে’প্তার করা হয়েছে। এখন একের পর এক বেরিয়ে আসছে তার সমস্ত কু’কীর্তি।সূত্র : jagoreport24.com