শাহজালাল মাজা’রে জ’ঙ্গি হাম’লার প্রস্তুতি নিচ্ছিল তারা!

সিলেটে আ’টক জ’ঙ্গি সানাউল ইসলাম সাদির বাসা থেকে শক্তিশালী বো’মা ও বি’স্ফোর’ক উদ্ধার করেছে কাউন্টার টের’রিজম ইউনিট। তারা হযরত শাহজালাল (র.) মাজারে জ’ঙ্গি হাম’লার পরিকল্পনা করেছিল। এ জন্য তারা প্রস্তুতি নিচ্ছিল। খুব শীঘ্রই জ’ঙ্গিরা এ হামলা চালাতে চেয়েছিল। হা’মলার জন্য জ’ঙ্গিদের অপারেশনাল টিমও নির্ধারণ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তাদের সেই পরিকল্পনা সফল হতে দেয়নি পু’লিশ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত নয়টায় জালালাবাদ এলাকায় সানাউলের নিজ বাসায় অভিযান চালানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্থানীয় সিটি কাউন্সিলর। এখন টিলাগড়ের শাপলাবাগ এলাকায় একটি বাসায় অভিযান চালানো হচ্ছে। এটি জ’ঙ্গিরা ভাড়া নিয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

টানা দুইদিনের অভিযানে সিলেট জেএমবির আঞ্চলিক কমান্ডার নাইমুজ্জামানসহ ৫ জেএমবির সক্রিয় সদস্যকে গ্রে’ফতারের পর এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ।

গ্রে’ফতারকৃত নাইমুজ্জামান সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। অন্য ৪ জনের মধ্যে রবি একই বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং সায়েম মদনমোহন কলেজের ছাত্র।

পুলিশ জানায়, গত রোববার থেকে ডিএমপির কাউন্টার টে’রোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রা’ইম ইউনিট (সিটিটিসি) এবং পুলিশ সদর দফতরের ল’ফুল ইন্টারসেপশন সেল (এলআইসি) যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মেট্রোপলিটন পুলিশও সহযোগিতা করে।

সিটিটিসির উপ-কমিশনার সাইফুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি রাজধানীর পল্টনে একটি বো’মা বি’স্ফোরণ ঘটে। গ্রেফতারকৃতরা ওই বো’মা বি’স্ফোরণের সঙ্গে জড়িত।

তিনি জানান, যাদের গ্রে’ফতার করা হয়েছে তাদের ঢাকায় আনা হচ্ছে। বুধবার তাদেরকে আদালতে হাজির করা হতে পারে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করা হবে।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, গ্রে’ফতারকৃত ৫ জনের মধ্যে নাইমুজ্জামান সিলেট জেএমবির আঞ্চলিক কমান্ডার হিসেবে কাজ করে আসছিল। সিলেট অঞ্চলে জ’ঙ্গিদের সংগঠিত করা, তাদের প্রশিক্ষণ এবং জ’ঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ করার মূল দায়িত্ব নাইমুজ্জামান পালন করতো। গ্রে’ফতার হওয়া নাইমুজ্জামান পুলিশকে জানিয়েছে, তাদের সিলেট শাহজালাল মাজারে হা’মলার পরিকল্পনা ছিল। বড় ধরনের হা’মলার পরিকল্পনা নিয়ে তারা ইতোমধ্যে প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছিল। ওই হা’মলা কখন হবে, কীভাবে করা হবে এর জন্য তাদের অপারেশনাল টিমও নির্ধারণ করা হয়েছিল।

x