রাশিয়ার করোনা ভ্যাকসিন পেতে পারে বাংলাদেশ

আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকেই, রাশিয়ার তৈরি ‘স্পুটনিক ভি’ ভ্যাকসিনটি চিকিৎসক ও শিক্ষকদের গণহারে প্রয়োগ করা হবে। এরপর ধাপে ধাপে বৃদ্ধসহ সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এটি পাবেন।

মস্কোয় কর্মরত বাংলাদেশি গবেষক ও চিকিৎসকরা বলছেন, যতো দিন যাবে, ততোই চাহিদা বাড়বে করোনার ভ্যাকসিনটির। এ-নিয়ে বিতর্ক রাজনৈতিক কারণে ছড়ানো হচ্ছে বলেও মত তাদের।

রাশিয়ার তৈরি ভ্যাকসিন ‘স্পুটনিক ভি’ নিতে ইতোমধ্যে ভারত, সৌদি আরবসহ বিশ্বের ২০টি দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে। এরই মধ্যে ১০০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনের অর্ডার পেয়েছে মস্কো।

রুশ সরকার ৫০০ মিলিয়নেরও বেশি ভ্যাকসিনের ডোজ উৎপাদন নিশ্চিত করতে পারবে, এমন অন্তত পাঁচটি দেশের সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কাজ করতে আগ্রহী। সে হিসেবে, রাশিয়ার পাশাপাশি ভারত, ব্রাজিল, তুরস্কসহ আরও কয়েকটি দেশে উৎপাদন হতে পারে ‘স্পুটনিক ভি’।

রাশিয়ায় কাজ করা বাংলাদেশি চিকিৎসকরা বলছেন, আগস্টের শেষ সপ্তাহে শুরু হচ্ছে ভ্যাকসিনটির প্রয়োগ। অক্টোবর নাগাদ যা মেট্রো স্টেশনে দাঁড়িয়েই নিতে পারবেন আগ্রহীরা।

রাশিয়া বাংলাদেশি চিকিৎসক ডা. মো. সাইফুল আলম বলেন, ভ্যাকসিনটিতে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকেই এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে।

টিকাটি নিরাপদ হওয়ায় তা নিয়ে সমালোচনা বন্ধ হওয়া জরুরি বলে মনে করেন বাংলাদেশি এই গবেষকও।

রুদেন ইউনিভার্সিটি মস্কো ডা. সেলিম রেজা বলেন, পুতিনের মেয়ে এই ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছে। তাই এটা নিয়ে আমরা অনেকটাই আশাবাদী।

রাশিয়ার গামালেই ইনস্টিটিউট অব এপিডেমোলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজির তৈরি ভ্যাকসিনটি দ্রুতই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পাবে বলে আশাবাদী এই প্রবাসী চিকিৎসক। বাংলাদেশ আগ্রহ প্রকাশ করলে খুব সহজেই এটি পেতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

x