বাথরুমে বি’বস্ত্র হয়ে গোসল করেন, জেনে নিন ই’সলাম কি বলে

একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বা’থরুমে বি’বস্ত্র হয়ে গোসল করা উচিত নয়। এ বি’ষয়ে হাদিসে অনুৎসাহিত করা হয়েছে। যে কারণে আমাদের সকলকে পরিহার করা উচিত। হাদিস শরীফে এসেছে, ল’জ্জা করার ব্যপারে মানুষের চেয়ে আল্লাহ তায়ালাই বেশি হকদার।

তাই গোসলের সময় পুরোপুরি উ’লঙ্গ হয়ে যাওয়া অনুত্তম। এক হাদিসে বলা হয়েছে, মুয়াবিয়া বিন হাইদা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তুমি তোমার স্ত্রী ছাড়া অন্যদের কাছ থেকে তোমার লজ্জাস্থান সর্বদা হেফাজত করো (অর্থাৎ ঢেকে রাখো)।

তবে যদি অন্য কারো দেখার সম্ভাবনা না থাকে তাহলে প্রয়োজনের ক্ষেত্রে বা’থরুমে বি’বস্ত্র অবস্থায় গোসল করা জায়েজ। অবশ্য স্বা’মী ও স্ত্রী একস’ঙ্গে গোসল করার কথা হাদিস শরিফে এসেছে; মহানবী (সা.) তাঁর স্ত্রী মাইমুনা (রা.) ও আয়েশা (রা.)’র স’ঙ্গে একত্রে গোসল করেছেন।

এটি সহিহ বুখারি ও মু’সলিম দ্বারা প্রমাণিত। এ বি’ষয়ে কেউ কেউ মুসা (আ.) এর বিবস্ত্র হয়ে গোসল করার ঘ’টনাও প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করে থাকেন। (আরও দেখু’ন, বুখারি : ৩৪০৪)

তালের শাঁস খেলেই বিশেষ রোগ থেকে মিলবে মুক্তি!
তালের শাঁস খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। কিন্তু তালের শাঁসে অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে তা আমরা অনেকেই জানি না। তালের শাঁস যেমন সুস্বাদু, তেমনি রয়েছে পুষ্টি। এই ক’রোনাকালে সবারই উচিত শ’রীরের রো’গ প্রতিরোধ ক্ষ’মতা বাড়ানো। তবে নাকি ক’রোনাকে ঠেকানো সম্ভব, এমনই মত বিশেষজ্ঞদের।

জানেন কি? তালের শাঁসে রয়েছে হাজারো পুষ্টিগুণ। এই মৌসুমে তালের শাঁস খেলে বিভিন্ন রো’গ থেকে মুক্তি মিলবে। সেই স’ঙ্গে বাড়বে শ’রীরের রো’গ প্রতিরোধ ক্ষ’মতা। শুধু গ্রীষ্মকালেই বাজারে কচি তাল দেখতে পাওয়া যায়। এর নরম কচি শাঁস খেতে ছোট বড় সবাই পছন্দ করে।

এতে থাকা অনেক খাদ্যশ’ক্তি এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান শ’রীরের বহু রো’গের দাওয়াই। এবার তবে জেনে নিন তালের শাঁসের পুষ্টিগুণ এবং এর উপকারিতা সম্প’র্কে।

মিষ্টি স্বাদের কচি তালের শাঁস শুধু খেতেই সুস্বাদু নয় বরং পুষ্টিতেও অনেক ভরপুর। প্রতি ১০০ গ্রাম তালের শাঁসে আছে জলীয় অংশ ৮৭ দশমিক ছয় গ্রাম, আমিষ শূন্য দশমিক আট গ্রাম, ফ্যাট শূন্য দশমিক পাঁচ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ১০ দশমিক নয় গ্রাম, খাদ্য আঁশ এক গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৭ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৩০ মিলিগ্রাম, আয়রন এক মিলিগ্রাম, থায়ামিন শূন্য দশমিক চার গ্রাম, রিবোফাভিন শূন্য দশমিক দুই মিলিগ্রাম, নিয়াসিন শূন্য দশমিক তিন মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি মিলিগ্রাম। এসব উপাদান আমাদের শ’রীরকে নানা রো’গ থেকে রক্ষা করাসহ রো’গ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

১। তালের শাঁসে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় এটি আমাদের রো’গ প্রতিরোধ ক্ষ’মতা বাড়ায়।
২। ক্যা’ন্সারের মতো মরণ ব্যাধি রো’গ থেকেও রক্ষা করে রসালো এই তালের শাঁস।
৩। তালের শাঁস আমাদের স্মৃ’তিশ’ক্তি ভালো রাখে এবং শা’রীরিক স্বাস্থ্য রক্ষা করে থাকে।

৪। বমি ভাব আর মুখের অরুচিও দূর করতে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৫। তালের শাঁসে ক্যালসিয়াম থাকায় এটি দাঁতের জন্য অনেক ভালো। দাঁতের এনামেল ভালো রাখে এবং দাঁতের ক্ষয় রোধ করে।
৬। তালের শাঁস হাড়কে শ’ক্তিশালী করে তোলে। কচি তালের শাঁস র’ক্তশূন্যতা দূরীকরণে দারুণ ভূমিকা রাখে।

৭। তালে শাঁসে আছে পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, আয়রন, সালফার, সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো বেশ কিছু উপকারী উপাদান। যা আমাদের চোখের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এছাড়াও চোখের এলার্জি সহ অন্যান্য চোখের রোগের প্রকোপ কমাতে তাল অনেক কার্যকরী।
৮। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় এটি খেলে আমাদের শ’রীরের রো’গ প্রতিরোধ ক্ষ’মতা বৃ’দ্ধি পায়। আর এর ফলে আমরা বিভিন্ন রকম মৌসুমী অসু’খ থেকে মুক্তি পাই।

৯। তালের শাঁস খেলে লিভারের সমস্যা দূর হয়। এতে থাকা ভিটামিন সি ও বি কমপ্লেক্স খাবারে রুচি বাড়াতে সাহায্য করে।
১০। তালে শাঁস র’ক্তচা’প নি’য়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এটি খেলে শ’রীরে নাইট্রেটের পরিমাণ বেড়ে যায়, যা প্রাকৃতিক উপায়ে আমাদের র’ক্তচা’প নি’য়ন্ত্রণ করতে পারে।
১১। গরমের দিনে তালের শাঁসে থাকা জলীয় অংশ পানিশূন্যতা দূর করে। প্রাকৃতিকভাবে দে’হকে রাখে ক্লান্তিহীন।

x