তিন কারণে হঠাৎ ঢাকায় শ্রিংলা

মাত্র ২ মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকা আসছেন ভা’রতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা পৌছাবেন তিনি।

হঠাৎ করে তার এই ঢাকা সফর নিয়ে কূটনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। কেন তিনি এই সময়ে ঢাকা আসছেন তা নিয়ে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।
ভা’রতের কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ভ্যাকসিন কূটনীতির অংশ হিসেবেই শ্রিংলা ঢাকায় আসছেন। কূটনৈতিক সূত্রে পাওয়া খবরে জানা গেছে, মূলত তিনটি কারণে শ্রিংলা ঢাকা আসছেন।

প্রথমত; এই করো’না সংকটের সময় বাংলাদেশ অনেকটাই বাণিজ্য এবং অর্থনীতিতে চীন নির্ভর হয়ে পড়েছে। চীনা ভ্যাকসিনের বাংলাদেশের ট্রায়ালের জন্যেও চেষ্টা করা হচ্ছে। আইসিডিডিআরবি ইতিমধ্যেই চীনা কোম্পানির সঙ্গে এই ভ্যাকসিন ট্রায়ালের ব্যাপারে সমঝোতা চুক্তি করেছে।

আইসিডিডিআরবি’র মাধ্যমে সরকারের কাছে আবেদনও করা হয়েছে। সরকার এটা বিবেচনা করছে। ভা’রত চায় না যে, এই চীনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল বাংলাদেশে হোক। এর মাধ্যমে চীন- বাংলাদেশ স’ম্পর্ক আবার নতুন মাত্রা পাক এটা ভা’রত চাইছে না।

দ্বিতীয়ত; হঠাৎ করে পা’কিস্তানও বাংলাদেশের সঙ্গে স’ম্পর্ক ভালো করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এটা নিয়ে ভা’রতের অস্বস্তি রয়েছে। বিশেষ করে পা’কিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইম’রান খান এ বছরে দু’বার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফোন করেছেন এবং কা’শ্মীর ইস্যু নিয়ে কথা বলেছেন। কা’শ্মীর ভা’রতের জন্য খুবই স্প’র্শকাতর বিষয়। ভা’রত এই বিষয়ে মা’র্কিন হস্তক্ষেপও চায়নি।

তৃতীয়ত; করো’না মোকাবেলায় ভা’রত-বাংলাদেশ দু’দেশের অ’ভিন্ন কৌশল চাইছে দিল্লি। সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদি মন্ত্রিসভা’র বৈঠকে বাংলাদেশ এবং নেপালের সঙ্গে স’ম্পর্ক উন্নয়নের তাগিদ দিয়েছেন। এই তাগিদের অংশ হিসেবে হর্ষবর্ধন শ্রিংলা ঢাকায় আসছেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য যে, শ্রিংলা বাংলাদেশে নিযু’ক্ত ভা’রতের রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে সবচেয়ে সফলদের মধ্যে একজন। তার সময়ে বাংলাদেশ-ভা’রত স’ম্পর্ক নতুন মাত্রায় উন্নীত হয়েছিল।