অবশেষে সমাধান হলো ‘স্বামী তুমি কার’

মালদ্বীপ থেকে ১৬ মাস পর দেশে ফেরেন মইনুলের। তবে বিমানবন্দরে তার জন্য কী অপেক্ষা করছিলো তা হয়তো ধারণাই ছিলো না তার। অনেকটা গোপনে দ্বিতীয় স্ত্রীর তমার সাথে গাড়িতে করে কুমিল্লা ফেরার সময় বাধ সাধে প্রথম স্ত্রী সানজিদা।

শুরুতে কথাকাটাকাটির মধ্যে সীমাবদ্ধতা থাকলেও মুহূর্তেই তা রূপ নেয় সংঘাতে। স্বামীকে ছিনিয়ে নিতে দুই স্ত্রীর মধ্যে বিমানবন্দরেই চলে কাড়াকাড়ি। এসময় নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ ছাড়া যেন কিছুই করার ছিলোনা মইনুলের।

পরে বিষয়টি মিমাংসার জন্য প্রবাসী মাইনুল ও তার দুই স্ত্রীকে থানায় পাঠায় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

অবশেষে গ্রাম্য শালিশের মাধ্যমে এ ‘স’ম’স্যা’র সমাধান করা হয়। দ্বিতীয় স্ত্রী পেলেন মালদ্বীপ প্রবাসী মঈনুলকে। বড় ঘরের সন্তানকে ভরণ-পোষণ এবং ৫ শতাংশ জমির বিনিময়ে প্রথম স্ত্রী রাজি হয়েছেন তালাক নিতে।

x