এইচপির সিরিজ শুরু ১৬ অক্টোবর

জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা একক অনুশীলনে নেমেছেন তাও এক মাসের বেশি। মাঠের অনুশীলনে নামেনি মূল দলের একজনও অবশিষ্ট নেই। সেখানে এইচপি ক্রিকেটাররা এখনও সেভাবে মাঠে নামার সুযোগ পায়নি। তাদের বেশিরভাগের ক্রিকেট চর্চা হোম অনুশীলনে সীমাবদ্ধ। অথচ জাতীয় দলের মতো এইচপির স্কোয়াডও দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলবে শ্রীলঙ্কায়। স্বাগতিক এইচপি দলের বিপক্ষে সিরিজ শুরু করবে জাতীয় দলের আগে। সফরে দুটি চার দিনের ও তিনটি এক দিনের ম্যাচ খেলবে তারা।

জাতীয় এবং এইচপি স্কোয়াড মিলে ৪৪ জন ক্রিকেটার নিয়ে শ্রীলঙ্কা সফর। রাজধানীতে দুই দলের কন্ডিশনিং ক্যাম্প হবে ১৫ দিনের মতো। বিসিবির ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত কন্ডিশনিং ক্যাম্পে গুরুত্ব পাবে ম্যাচ প্র্যাকটিস। এইচপি ও জাতীয় দলের মধ্যে তিনটি চার দিনের ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। সেক্ষেত্রে কলম্বোর কন্ডিশনিং ক্যাম্পে স্কিল ট্রেনিংয়ের জন্য পর্যাপ্ত সময় থাকছে না।

সেক্ষেত্রে ফিটনেস নিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে আকবর আলীদের। যদিও লঙ্কা সফরের জন্য মনোনীত এইচপি দলের ট্রেইনার তুষার কান্তি হাওলাদার মনে করেন ফিটনেসে খুব একটা সমস্যা হবে না।

তিনি বলেন, ‘এইচপির খেলোয়াড়রদের অনুশীলন পরিকল্পনা দিয়েছি। যে যেখানে আছে সেখানেই গাইডলাইন মেনে অনুশীলন করছে তারা। ফিটনেসের পাশাপাশি বোলাররা চার-পাঁচ ওভার বোলিং করছে সপ্তাহে চার দিন। ফিটব্যাকও নেওয়া হচ্ছে প্রত্যেকের কাছ থেকে। টবি রেডফোর্ড আসার পর মূল পরিকল্পনা পাওয়া যাবে। কোচের যে পরিকল্পনা দেবেন আমরা সেটা কার্যকর করব।’ নতুন কোচের ঢাকায় আসার কথা ২ সেপ্টেম্বর। কোয়ারেন্টাইন শেষ করে নির্বাচকদের সঙ্গে বৈঠক করে খেলোয়াড়দের সম্পর্কে জেনে নেওয়া এবং প্র্যাকটিস সূচি বানাতে হবে তাকে।

শ্রীলঙ্কায় কন্ডিশনিং ক্যাম্প শেষে এইচপি স্কোয়াড আলাদা হবে ১২ অক্টোবর। চার দিন পর চার দিনের ম্যাচ দিয়ে সিরিজ শুরু। ১৬ থেকে ১৯ অক্টোবর প্রথম ম্যাচ। দ্বিতীয় আন-অফিশিয়াল টেস্ট ম্য্যাচটি হবে ২৩ থেকে ২৬ অক্টোবর। ২৯ অক্টোবর প্রথম ওয়ানডে। বাকি ওয়ানডে দুটি হবে ১ ও ৪ নভেম্বর। সিরিজের জন্য শ্রীলঙ্কার অধীনে যাওয়ার আগে ২৪ সদস্যের স্কোয়াড ছোট করে আনা হবে ১৫ থেকে ১৭ জনে। ওয়ানডে সিরিজ মাথায় রেখে দু’জন ক্রিকেটার বেশি রাখতে চাইছে এইচপি বিভাগ।

রাজধানী কলম্বোতে হবে সিরিজের সবকটি ম্যাচ। মূল স্কোয়াডের বাইরের খেলোয়াড়রা দেশে ফিরে আসবেন। কভিড মহামারির কারণে লম্বা বিরতির পর দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি পাচ্ছে কিনা, জানতে চাওয়া হলে বিসিবি প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেন, ‘এইচপির ক্রিকেটাররাও হোম অনুশীলন করছে।

বিসিবি থেকে যে গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে, সেটা অনুসরণ করছে তারা। আর সিরিজ শুরুর আগে যথেষ্ট সময় পাবে ফিটনেস ও স্কিল নিয়ে কাজ করার জন্য। মনে হয় না সমস্যা হবে।’ এইচপির একজন মাত্র ক্রিকেটার সুমন খান মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অনুশীলন করছেন। বিসিবির সূচিতে একক অনুশীলন করা বাকি সবাই জাতীয় দলের পুলের ক্রিকেটার।