বিদেশে আলু ভর্তা-ডাল খাওয়া সেই রাশেদ সমালোচকদের জবাব দিলেন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে প্রবাসী কি’শোর রাশেদ অনেকের কাছেই এখন পরিচিত মুখ। তার বয়স মাত্র ১৮ বছর।

এই বয়সে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় ব্যস্ত সময় কা’টানোর কথা তার। অথচ নিজের আহ্লাদ ত্যাগ করে পাড়ি জমিয়েছেন সৌদি আরবে।

সেখানে আয়ের পাশাপাশি আলুর ভর্তা আর ডাল খেয়ে জমানো টাকাও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছেন এ কি’শোর।

সম্প্রতি এক ভিডিওতে এমনটাই জানান রাশেদ। এরইমধ্যে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ওই ভিডিওর সাক্ষাৎগ্রহণকারী প্রথম প্রশ্নেই ধাক্কা খান নেটিজেনরা। হাত খরচের কথা জিজ্ঞেস করলেই রাশেদ বলেন, প্রতি মাসে তার হাত খরচ ২০ থেকে ৩০ রিয়াল।

অথচ বিষয়টি নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। অনেকে মনে করছেন, তার পুরো মাসের খরচই ২০ রিয়াল।

নেটিজেনদের ভুল ভাঙাতে নতুন আরেকটি ভিডিওতে হাজির হন রাশেদ। সেখানে এই প্রবাসী কি’শোর বলেন, অনেকেই প্রশ্ন করছেন যে ২০ রিয়াল দিয়ে ছে’লেটা কী’ভাবে চলে? ২০ রিয়াল দিয়ে আসলে চলা যায় না।

এটা আসলে আমা’র পকেট খরচ। আমি বলিনি যে এটা আমা’র খাওয়া খরচ। কারণ একটা চালের বস্তার দামই আছে ২০ রিয়াল।

রাশেদ আরো বলেন, আসলে আমি বাড়তি কোনো খরচ করি না। যতটা প্রয়োজন হয়, ততটাই করি। আসলেই আমা’র পকেট খরচ ২০ রিয়াল। এটা আমা’র খাওয়া খরচ না।

এর আগে ভাই’রাল ভিডিওতে রাশেদ জানান, প্রতি মাসে এক হাজার ৫০০ থেকে ৬০০ রিয়াল আয় করেন তিনি। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় হয় ৩৬ হাজার টাকার অধিক।

আয়ের সিংহভাগ টাকা দেশে পাঠান তিনি। প্রতি মাসে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩০ হাজার বা ২৮ হাজার পরিবারের কাছে পাঠান রাশেদ।

সদা হাস্যেজ্জ্বল এ ছে’লে কখনই দেশে ২৪ হাজার টাকার নিচে পাঠান না।

সৌদি আরবে কাজে আসার এক মাস চার দিন হয়েছে রাশেদ। ডাল আর আলু ভাজি ও ভর্তা খেয়ে দিন পার করেন তিনি। টাকা বেশি খরচ হবে বলে মাছ-মাংস খান না।

সৌদিতে আসার প্রথম দিকে মাছ-মাংস খেতেন। কিন্তু পরিবারের আর্থিক সংকটের কথা বিবেচনা করে মাছ-মাংস খাওয়া ছেড়ে দেন রাশেদ। ভিডিও গ্রহণের দিন রাশেদ বেগুন ও আলু ভর্তা দিয়ে ভাত খেয়েছেন বলেও জানান।

ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন এখানে…

x