ডা’কাতি মাম’লায় এসআইসহ ৫ জনের কারা’দণ্ড

ডা’কাতি মাম’লায় পুলিশের এক এসআইসহ পাঁচজনকে ১০ বছর করে কারা’দণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরি’মানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারা’দণ্ড দেওয়া হয়। ঢাকার সাত নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক শহিদুল ইসলাম সোমবার তাদের দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- শাহবাগ পুলিশ কন্ট্রোল রুমের সাবেক এসআই মোসাদ্দেক হোসেন খান, চার সেনা সদস্য ল্যান্স করপোরাল মনিরুল ইসলাম, সৈনিক সাজ্জাদ হোসেন, লুৎফর রহমান খান ও লিটন হালদার। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৯৫/৩৯৭ ধারায় অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় এই সা’জা দেওয়া হয়। অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় আলম খান ও স্যামুয়েল বৈদ্যকে খালাস দেন আদালত।

আসা’মিদের মধ্যে কারা’গারে থাকা এসআই মোসাদ্দেক হোসেন খান ও সৈনিক লিটন হালদারকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারা’গারে পাঠানো হয়। পলাতক তিন আসা’মির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তা’রি পরোয়ানা জারি করা হয়। আসামিরা ঘটনার সময় সবাই র‌্যাবে কর্মরত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে মাম’লাটি পরিচালনা করেন মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া এবং আসা’মিপক্ষে ছিলেন চমন আফরোজা।

মাম’লার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জেকে সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপক মাঈন উদ্দিন, হিসাবরক্ষক সেলিমসহ চারজন বনানীর সাউথইস্ট ব্যাংকে ১৮ লাখ টাকা জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে অফিস থেকে বের হন।

বনানী ১৩ নম্বর রোডের মাথায় লোটাস কামাল ভবনের কাছে সে সময় র‌্যাবের পোশাক পরা আসামিরা তল্লাশি করার উদ্দেশ্যে গাড়ি থামান। টাকাসহ মাঈনকে গাড়িতে তুলে নিয়ে ভাসানটেকের মাটিকাটা এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে টাকা নিয়ে তাদের নামিয়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় খিলক্ষেত থানায় আসা’মিদের বিরুদ্ধে মাম’লা করেন মাঈনউদ্দিন। মাম’লার পর আসামিদের কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা ও মাইক্রোবাসটি জব্দ করে পুলিশ। একই বছর ৩০ মে সাতজনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মাম’লায় বিভিন্ন সময় ১৬ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

x