মা ইতি তোমার পরি’ত্যা’ক্ত সন্তান , একবার প’ড়ে দেখুন, চোখে পানি চ’লে আসবে…

তোমার পরি’ত্যা’ক্ত সন্তান- মা” বলতো আমি কে?তোমার গ’র্ভে রাতের আ’ধারে লু’কিয়ে জ’ন্ম নেয়া অামি সেই হত’ভাগা সন্তান।

আমিই সেই যাকে লোক ল’জ্জার ভ’য়ে নর্দ’মায় একটা বা’ক্স ব’ন্দি করে জ্যা’ন্ত ফে’লে এসেছিলে।

জানো মা, তুমি চলে আসার পর আমার সাথে কি হয়েছিল? তুমি যখন বা’ক্স ব’ন্দি করে আমায় ফে’লে আসলে, আমি চোখ খু’লে দেখি তুমি নেই।

এদিক ওদিক সবদিক তোমায় খুঁ’জলাম। চারিদিকে অ’ন্ধকার আর অ’ন্ধ’কার।

বু’ঝে নিলাম তুমি কাছে নেই। আমি তো তোমায় মা বলে ডা’কতে শিখিনি তখনো।

কিন্তু আমি জানতাম আমার চিৎ’কার শুনে তুমি দৌ’ড়ে ছু’টে আসবে। তাই চিৎ’কার করে কাঁ’দতে লাগলাম।

জানো মা, আমার চিৎ’কারে তুমি এলেনা ঠিকই। কিন্তু রা’স্তার কু’কুর গুলো আমার কা’ন্না শুনে ঠিকই আমায় খুঁ’জে নিলো।

আমি ভাবলাম কু’কুর গুলো বু’ঝি আমায় মায়ের কাছে নিয়ে যাবে।

কিন্তু না মা। ওরা তো আমায় খাওয়ার জন্য ছু’টে এসেছিল।

একটা দুইটা কু’কুর না মা। প্রায় ৫/৬ টা কু’কুর। কি ধারালো দাঁ’ত ওদের। অামায় দেখেই ওদের মু’খ দিয়ে লা’লা পড়ছিলো।

প্রথমে একটা কু’কুর এসে আমায় ন’খ দিয়ে পাঁজ’রগুলো ছিড়লো। তারপর অারও দুইটা কুকু’র আমার মা’থাটা নিয়ে কি টা’নাটা’নিই না করছিলো।

কি য’ন্ত্রনা হচ্ছিলো মা তুমি বুঝবেনা। বু’ঝলে কি আর আমায় ফে’লে যেতে?

জানো মা, ওরা আমায় নিয়ে যখন টা’নাটা’নি করছিলো একটা সময় আমার য’ন্ত্রনাটাও কমে গে’ল। কমবে না কেন বলো?

প্রা’ণটা তো তখন আর ছিল না মা?

জানি না কে তোমায় ভালবাসি বলে আমায় জ’ন্ম দিয়ে গেলো। ও না হয় অ’মানুষ ছিলো।

তুমি তো মা। তবে তুমি কেন আমায় ফে’লে দিলে? যদি নিজের কথা এতোই ভাবতে, তবে জ’ন্ম দিলেই বা কেন?

কেনই বা এমন মানুষের কাছে নিজের সব কিছু উ’জার করে দিলে? ভালবাসার অ’র্থই কি মা এক বিছা’নায় রাত্রি যা’পন করা?

ভালবাসার অর্থ কি আমার মতো সন্তানকে লোকের অগোচরে জ’ন্ম দিয়ে কু’কুর দিয়ে খাওয়া’নো ?

তবে শোন মা, এমন ভালবাসা পাওয়ার আগেই আমি দুনিয়া ছে’ড়ে চ’লে গিয়েছি সেটাই ভাল হয়েছে।

x