সার্ফ এক্সেলে ধবধবে হচ্ছেন স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি

রিজেন্টের সংগে চুক্তি করেছেন তিনি। সরকারের পক্ষ থেকে চুক্তিতে তার স্বাক্ষর জ্বল জ্বল করছে। কিন্তু দু’র্নী’তি দমন কমিশন গতকাল রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে যে মা’ম’লা হয়েছে, তাতে আ’সা’মী নন স্বাস্থ্যের সাবেক মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ।

আইনজীবীরা বলছেন, ‘এটা বিস্ময়কর। যিনি একটি অ’বৈধ হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি করলেন তিনিই যদি আ’সা’মী না হন, তা হলে মা’ম’লাই কেন’? আবুল কালাম আজাদ এখন আর মহাপরিচালক নেই। কিন্তু তার বি’রু’দ্ধে সব অভি’যো’গই রহস্য’ময় ভাবে আ’ড়া’ল করা হচ্ছে যেন। তদন্ত যেন সার্ফ এক্সেল। তাকে ধবধবে সাদা বানানোর প্রয়াশ যেন সর্বত্র।

একজন আইনজীবী বলেছেন, ‘রিজেন্ট হাসপাতাল ছিলো অ’বৈধ, তার সনদ ছিলো না। এটা যদি আবুল কালাম আজাদ না জেনে থাকেন, সেটাও অ’প’রাধ। কারণ অ’প’রাধ আইনে ‘অ’জ্ঞতা’ দায়মুক্তি দেয় না।’

আবুল কালাম আজাদ নিজেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে জানিয়েছিলেন তৎকালীন স্বাস্থ্যসচিব আসাদুল ইসলামের মৌখিক নির্দেশে তিনি ঐ চুক্তি করেছিলেন। কিন্তু আইনজীবীরা বলছেন, প্রজাতন্ত্রের কোন কর্মকর্তা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অ’নৈতিক মৌখিক নির্দেশ মানতে বাধ্য নন। তাই উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে চুক্তি করেছেন, এ রকম যুক্তি দিয়েও আত্মরক্ষার আইনি সুযোগ নেই।

রিজেন্ট হাসপাতাল যে অ’বৈধ ভাবে টাকা দিচ্ছে, এ বিষয়টিও আবুল কালাম আজাদকে অবহিত করা হয়েছিল। নিপসমের পরিচালক ডা. বায়জীদ খুরশীদ রিয়াজ এ ব্যাপারে লিখিত অভি’যো’গ করেছিলেন। কিন্তু তার ঐ অভি’যো’গে’র জবাবে অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) যে জবাব দিয়েছেন, তা রিজেন্টকে অ’প’কর্ম করার ‘লাইসেন্স’ বলেই মনে করেন আইনজীবীরা।

কারণ, এ রকম চিঠি পাবার পরপরই মহাপরিচালকের প্রথম কাজ ছিলো, বিষয়টি তদন্ত করা এবং রিজেন্টের কোভিড পরীক্ষা স্থগিত করা। কিন্তু সেটা না করে, তিনি দিনে ৫০টি করে পরীক্ষার অনুমতি দেন। আবুল কালাম আজাদের বি’রু’দ্ধে এ ধরণের সুনির্দিষ্ট অভি’যো’গ থাকার পর অভি’যো’গ থেকে তার দায়মুক্তি যেন সার্ফ এক্সেলের ‘ম্যাজিক’।

সার্ফ এক্সেলে যেমন নোং’রা, ম’য়লা পরিস্কার হয়। কাপড় হয় ঝকঝকে নতুন। তেমনি আজাদের বি’রু’দ্ধে সব তদন্ত যেন তার অ’নিয়ম এবং অভি’যো’গ গুলো থেকে তাকে মুক্ত করার জন্যই। এই প্রক্রিয়ায় হয়তো জিকেজির অভি’যো’গ থেকেও মুক্ত হবেন তিনি। মুক্ত হবেন অন্যান্য কেনা-কাটার সব দায় থেকে। কারণ তিনি তো কিছুই জানেন না, কিছুই করেননি। তা হলে স্বাস্থ্যের মহাপরিচালক পদ কি দিবা নিদ্রার জন্য? এই প্রশ্ন অনেকের।

x