যতক্ষণ না আমি ব্যথায় কেঁদে ফেলি ও পেনিট্রেট করতেই থাকে! আমাকে বাঁচান…’

কথা শুনে মনে হচ্ছে যে পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আপনার গুরুতর সহায়তার প্রয়োজন।

যদিও আমি যথেষ্ট নিশ্চিত নই এবং আমি আপনাকে পরামর্শ দেওয়ার পক্ষে সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তি নই।

আপনাকে একটাই কথা বলব, যদি আপনি যৌন সঙ্গম না উপভোগ করেন তাহলে এই সম্পর্ক থেকে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে আসুন।

আপনার প্রেমিককেও তা জানান। কারণ যৌনতা মানেই ধর্ষণ নায়।

দুজনের সম্মতি থাকলে তবেই মিলিত হওয়া উচিত। আপনার প্রশ্ন শুনে মনে বয়েছে আপনি যথেষ্ঠ ভয় পেয়ে আছেন।

যে কারণে আপনি লিখতে বাধ্য হয়েছেন। তবে এরকম অভিজ্ঞতা যে আপনারই প্রথম হচ্ছে এমন নন। এর আগেও বেশ কিছুজন এই বিষয়ে চিঠি লিখেছেন।

সমস্যা হল আমরা যেমন সেক্স নিয়ে খোলাখুলি কথা বলতে ভয় পাই তেমনই ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে এমন কিছু করে বসি যা আমাদের প্রিয়জনকে ব্যথা দেয়।

কিন্তু কেন সঙ্গমের সময় ব্যথা অনুভূত করেন মেয়েরা?

এই প্রশ্নের উত্তরে অস্ট্রেলিয়ার এক স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, অনেক সময় ব্যথাটা মেয়েদের মানসিক।

কিন্তু তাঁরা তা উপভোগ করেন। এছাড়াও এই সময় যোনীমুখের পেশির সংকোচন প্রসারণ হয়। এবং যোনীমুখ শুকনো থাকায় নরম টিস্যুতে সরাসরি আঘাতের ফলে ব্যথা অনুভূত হয়।

যদি মেয়েটির সেক্সে কোনও কারণে অনীহা থাকে তাহলে ভ্যাজাইনার পেশীর অনৈচ্ছিক সংকোচন এবং লুব্রিক্যান্ট নির্গত না হওয়ায় মেয়েটির পক্ষে তা খুবই কষ্টদায়ক হয়।

এছাড়াও কিছু ছেলেদের লিঙ্গে সমস্যা থাকে। পিউরোনি বা ফোরস্পিনের মতো সমস্যা থাকলে তার যথাযথ চিকিৎসা প্রয়োজন।

ছেলেদের এরকম সমস্যার কারণেও মেয়েদেরও ভ্যাজাইনা লুব্রিকেশন করতে পারে না। এরকম যৌনতাকে বলা হয় অনুপ্রবেশমূলক যৌনতা। যা ঘৃণ্য অপরাধ।

আপনার বিকৃতকামের শিকার কখনই একটি মেয়ে হতে পারে না। এবং অনেক সময় ছেলেরা নিজেদের অক্ষমতা ঢাকতে মেয়েদের উপর দোষ চাপান। এবং নানা তত্ত্ব খাড়া করেন।

কারণ ছেলেরা যেভাবে পর্ণগ্রাফি দেখেন, যৌনতা নিয়ে পড়াশুনো করে ফিল্ডে নামেন অধিকাংশ মেয়েই তা করেন না।

আর যে কারণে নিজের শরীর এবং নিজের অধিকার আগে বুঝে নেওয়া উচিত।

কখনই তা অপাত্রে দান করবেন না। ছেলেটির যৌনাঙ্গে সমস্যা থাকলে বা যৌনরুচিতে বাধলে তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিন। নিজেকে ভোগ্যপণ্যে পরিণত করবেন না।

x