জেনে নিন সর্বশেষ মিন্নির ব্যাপারে কি বলেছে আদালত

বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান রায়ে পর্যবেক্ষণে বলেন, রিফাত হ’ত্যা’ মা’ম’লার আ’সা’মিদের নি’র্ম’ম ব’র্ব’রতা ও নি’র্মম’তা মধ্যযুগীয় কায়দায়কেও হার মানিয়েছে। এদের (মিন্নিসহ ৬ আসামি) দৃ’ষ্টা’ন্তমূ’লক শা’স্তি না দিলে তাদের অনুসরণ করে অন্য যুবকরাও ধ্বং’সের পথে যাবে। এসব আ’সা’মি সর্বোচ্চ শা’স্তি পাওয়ার যোগ্য।

বুধবার বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হ’ত্যা মা’মলা’য় রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ছয়জনের ‘ফাঁ’সির আদেশ দিয়েছেন আদালত। দুপুরে এ মা’ম’লার রায় ঘোষণা করেন বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান।

বিচারক আরও বলেন, পাঁচজনের সহযোগী হিসেবে রিফাত শরীফ হ’ত্যা’য় অংশ নিয়েছেন স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। একই সঙ্গে তারা ছয়জন রিফাতের মৃ’ত্যু নিশ্চিত করেছেন। এজন্য কলেজগেটের সামনে সময়ক্ষেপণ করেন মিন্নি।

রিফাতকে যখন মা’রা’র জন্য আ’সা’মিরা নিয়ে যাচ্ছিল তখন স্বাভাবিক ছিলেন মিন্নি। এতেই প্রমাণিত হয়, মিন্নি হ’ত্যা ষড়’য’ন্ত্রে লিপ্ত ছিল। তারই পরিকল্পনায় এ হ’ত্যা’কাণ্ড ঘটেছে। এজন্য তাকেও ফাঁ’সি দেয়া হয়েছে।

ফাঁ’সির দ’ণ্ডপ্রা’প্তরা হলেন মো. রাকিবুল হাসান ওরফে রিফাত ফরাজী (২৩), আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকন (২১), মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত (১৯), রেজোয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয় (২২), মো. হাসান (১৯) ও আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি (১৯)।
রায় ঘোষণার সময় দ’ণ্ডপ্রা’প্ত রাকিবুল হাসান

এদিকে, রায়ের পর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ২টা ৫০ মিনিটে মিন্নিকে আদালত থেকে ডিবির একটি কালো মাইক্রোবাসে কা’রাগা’রে নিয়ে যাওয়া হয়। এর ১০ মিনিট পর ফাঁ’সির সব আসামিদের পু’লি’শের প্রিজন ভ্যানে কারাগারে নেওয়া হয়।

এসময় অন্য একটি গাড়িতে খালাসপ্রাপ্তদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে খালাসপ্রাপ্তদের জামিনে মুক্ত করা হবে। তারা হলেন মো. মুসা (২২), রাফিউল ইসলাম রাব্বি (২০), মো. সাগর (১৯) ও কামরুল হাসান সায়মুন (২১)।

x