যেভাবে হবে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, প্রকৌশল বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন কীভাবে করা হবে সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আগামীতে কোভিড-১৯ কী অবস্থায় থাকবে সে ব্যাপারে কেউ নিশ্চয়তা দিতে পারছে না। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিচ্ছুকরা সশরীরে না অন্য কোনভাবে পরীক্ষা দেবে সে সিদ্ধান্ত পরে নেয়া হবে।

বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ফলাফল মূল্যায়নের ভিত্তিতেই উচ্চশিক্ষায় প্রবেশ করবেন এসব শিক্ষার্থীরা।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, এ বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা হবে না। জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্টের উপর নভেম্বরে মূল্যায়ন করে ডিসেম্বরেই ফল প্রকাশ হবে।

মন্ত্রী বলেন, এভাবে মূল্যায়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, স্বাস্থ্যশিক্ষা ব্যুরোসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি থাকবে। তারা এ বিষয়ে তাদের মতামত দেবেন। সে অনুযায়ী ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতি কখন স্বাভাবিক হবে তার নিশ্চয়তা নেই। কখন পরীক্ষা নেয়া যাবে বলা কঠিন। এরমধ্যে যথার্থতা বজায় রাখার বিষয়টি ভাবতে হবে। পরীক্ষা গ্রহণ করতে ৩০ থেকে ৩২ কর্মদিবস প্রয়োজন হবে। কোভিড পরিস্থিতিতে এক বেঞ্চে দুজন বসানো সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে দ্বিগুন কেন্দ্র প্রয়োজন হবে। প্রশ্নপত্র প্যাকেটজাত করা হয়। নতুন প্যাকেট করারও সুযোগ নেই।

মন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র দ্বিগুণ করলে আরো জনবল প্রয়োজন হবে। প্রশাসনসহ সবার জনবল বাড়ানো প্রয়োজন রয়েছে। বিষয় কমানো হয়তো যায়, কিন্তু প্রতিটি বিষয়ের গুরুত্ব রয়েছে। অনেকে এতে ক্ষতিগ্রস্ত মনে করতে পারবে। কোভিড আক্রান্ত হলে তখন কী হবে। এ নিয়ে আমরা চিন্তা করছি। ভারতের পরীক্ষাও আমরা দেখেছি। তিনটি পরীক্ষা নেয়ার পর তাদের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। অনেক দেশে পরীক্ষা বাতিল কিংবা স্থগিত করেছে।

এর আগে মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আপনাদের সময় জানিয়ে দেব। যখন সময় হবে, তখন বিস্তারিত জানানো হবে। আজ (মঙ্গলবার) জানাতে পারব না। কাল হয়তো আপনাদের সঙ্গে কথা বলব।’

x